Skip to main content

Study Journalx

পুতুল নাচের ইতিকথা

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ শতকের তিরিশের দশকের একজন কালজয়ী ও শক্তিমান কথাসাহিত্যিক। তার লেখা নিতান্তই জীবনঘনিষ্ঠ, যেখানে মানুষের মনের অন্দরমহলের অতল রহস্য প্রতিফলিত হয়েছে। মানুষের মনের নানা রহস্য উন্মোচন করেছেন। মানুষের অবচেতন মনের বিভিন্ন দিক, ফ্রয়েডীয় মনোবিকলন তত্ত্ব বিষয়বস্তু হয়েছে তার লেখায়। মনস্তত্ত্বের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয়গুলো লেখায় ফুটে উঠেছে। তিনি ছিলেন জীবনঘনিষ্ঠ মার্কসবাদী সাহিত্যিক।

পুতুল নাচের ইতিকথা

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কালজয়ী উপন্যাস “পুতুল নাচের ইতিকথা”। মনোজাগতিক টানাপোড়েনে এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো পুতুলের মতো নাচে, কিন্তু নিজের ইচ্ছায় নয়; পুতুল যেমন নিজের ইচ্ছায় নাচে না, তেমনি উপন্যাসের চরিত্রগুলো অন্যের ইচ্ছায় শুধু হাত-পা নাড়ে। অদৃশ্য সুতায় বাধা তাদের হাত-পা। এছাড়া অবচেতন মনের নানা দিক প্রতিফলিত হয়েছে। ফ্রয়েডীয় মনোবিকলন তত্ত্ব পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। মনস্তত্ত্বের জটিল দ্বন্দ্ব সংঘাত উদ্ভাসিত হয়েছে। উপন্যাসের দ্বিতীয় সংস্করণে বলা হয়েছে,

 

“পৃথিবীর এই বিরাট রঙ্গমঞ্চে মানুষ যেন শুধু পুতুল। কোন অদৃশ্য হাতের সুতোর টানাপোড়েনে মানুষ নাচে, কাঁদে, কথা বলে।” [পুতুল নাচের ইতিকথা, দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা ]

 

উপন্যাসটির নামকরণের সাথে চরিত্র গুলোর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। যার কারণে উপন্যাসটির নাম দেওয়া হয়েছে পুতুল নাচের ইতিকথা। পুতুলের প্রসঙ্গ এসেছে বারবার। শশী গাছের নিচে শুকনো ডাল ও কাঁচা পাকা পাতার সাথে একটি পুতুল দেখতে পায়। পুতুলটি দেখে সে বুঝতে পারে শ্রীনাথের মেয়েকে সে পুতুলটি কিনে দিয়েছিল এবং অনুমান করল যামিনী কবিরাজের বউ ভোরে বকুলতলা ঝাট দিতে এসে পুতুলটি নিয়ে যাবে। এখানে বারবার পুতুলের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও কুমুদকে শশী তার ছোট বোনের উল্লেখ করে তার খাটের নিচে বোনের সারি সারি পুতুল রাখার কথা বলেছে, বড় হয়ে কি করবে এর উত্তরে পুতুল খেলবে জানিয়েছে। এই উপন্যাসে বিভিন্ন জায়গায় পুতুলের প্রসঙ্গে এসেছে নামকরণের সাথে চরিত্রগুলোর মিল থাকাই উপন্যাসের নাম পুতুল নাচের ইতিকথা নামকরণ করা হয়েছে।

 

উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে গাওদিয়া গ্রাম এবং এর চারিদিকের অঞ্চল। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শশী কলকাতা থেকে ডাক্তারি পাস করেছে। তার মধ্যে গ্রাম ও শহরের দ্বন্দ্ব দেখা যায়। বুঝতে পারে না কোথায় গিয়ে তার জীবন ভবিষ্যৎ পার করবে। শশী ডাক্তার কলকাতা থেকে ফেরার পথে হারুর মৃতদেহ দেখে। হারু তার মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়েছিল, ফেরার পথে বজ্রাঘাতে তার মৃত্যু হয়। শশী ডাক্তার তার মৃতদেহ দেখে নৌকায় করে গ্রামে নিয়ে যায়। হারুর মৃত্যু দিয়েই কাহিনীর সূত্রপাত ঘটে। সে কত আশা নিয়ে তার মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়েছিল, কিন্তু নিয়তির খেলায় তাকে হার মানতে হয়।

 

হারুর পরিবারের সাথে শশী ডাক্তারের নিবিড় সম্পর্ক ছিল। মতির এবং পুত্রবধূ কুসুমের সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। কুসুম শশী ডাক্তারের প্রতি গভীর টান অনুভব করে এবং মনে মনে তাকে পছন্দ করে। মতিও শশী ডাক্তারকে পছন্দ করে এবং মনে মনে তাকে ভালোবাসে। মতির জ্বর হলে শশী ডাক্তার তার চিকিৎসা করার জন্য তাদের বাড়িতে ঘন ঘন আসা-যাওয়া করে। কুসুমও শশীর অপেক্ষায় পথ চেয়ে থাকে। মতির জ্বর সেরে গেলেও সে জ্বরের ভান করে যাতে শশী তাদের বাড়িতে আসা অব্যাহত রাখে। কিন্তু শশী ডাক্তার কিছুই প্রকাশ করে না।

 

শশী ডাক্তার এর বাবা গোপাল গাওদিয়ার একজন প্রভাবশালী মহাজন। দালালি করে অনেক টাকার মালিক হয়েছে। যামিনী কবিরাজের যুবতী স্ত্রী সেনদিদিকে সে তার নিজের কব্জায় নিয়ে আসে। সেনদিদির সাথে শশী ডাক্তার পিতা গোপালের অবৈধ সম্পর্ক এই উপন্যাসে দেখা যায়। সেনদিদির বসন্ত রোগ হলে শশী ডাক্তার তাকে চিকিৎসা করে সেরে তোলে। শশী ডাক্তার বাবার অবৈধ সম্পর্ক মেনে নিতে পারে না এবং প্রতিবাদও করতে পারে না। সে একটা দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে। পরবর্তীতে গোপালের অবৈধ সন্তান গর্ভে ধারণ করে সেনদিদিকে। সেই সন্তান প্রসবের জন্য শশী ডাক্তারকে যেতে হয়। এখানে নিয়তি তাদের এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে গেছে যে বাবার অবৈধ সন্তান প্রসব করাতে সন্তানকেই যেতে হচ্ছে। অবশেষে সেনদিদি সন্তান প্রসবের সময় মারা যায়।

 

সেনদিদি ও তার পিতার মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক তার আদর্শবাহী মনকে বিমূঢ় করে দিলেও চিকিৎসকের কর্তব্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। অন্যায়ভাবে উপার্জিত অর্থের পাহাড়ের উপর তার পিতা বসে আছে। শশী সেটা জেনেও প্রতিবাদ করতে পারে না। গ্রামে তার প্রধান প্রতিপক্ষ তার পিতা, কিন্তু সে কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না।

 

গ্রামের পূজোর পার্টিতে শশী ডাক্তারের বন্ধু কুমুদ আসলে মতির তার অভিনয় ভালো লেগে যায়। তাদের মধ্যে ভালো লাগা সৃষ্টি হয়। কুমুদ মতিকে বিয়ে করে কলকাতা চলে যায়। কুমুদ এর চাকরি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি, ফলে তাকে পুরনো যাত্রার দলে আবার ফিরে যেতে হয়। এর ফলে তাদের জীবনের বিভিন্ন ট্রাজেডি চলতে থাকে।

 

অন্যদিকে, নন্দলাল শশী ডাক্তারের বোন বিন্দুকে বিয়ে করে। তারা কলকাতায় এক বাড়িতে ভাড়া থাকে। নন্দলাল বিন্দুকে রক্ষিতার মতো রাখে। তার জীবন অনেক কষ্টে চলতে থাকে। শশী ডাক্তার তাকে আবার গ্রামে নিয়ে আসে, কিন্তু বিন্দু সেই কষ্ট ভুলতে পারেনি। ফলে সে তার ভাই শশী ডাক্তারের মদ চুরি করে খেতে থাকে এবং ক্রমে আরো হতাশাগ্রস্ত হয়ে যেতে থাকে। শশী তাকে আবার শহরে রেখে আসে। এভাবে মানুষকে পুতুলের মতো নাচতে হয়েছে এই উপন্যাসে।

 

যাদব পন্ডিত নিজের পান্ডিত্য জাহির করতে রথের দিন তার মৃত্যু হবে বলে ঘোষণা করে। এ দিন যার মৃত্যু হবে, সে পূণ্যবান; তাই সে রথের দিন নিজের মৃত্যু হবে বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু শশী জানে যে এসব ভিত্তিহীন। চারিদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে, ফলে রথের দিন যাদব পন্ডিতের বাড়িতে লোক জড়ো হয়। সে আর উপায় না পেয়ে সে আর তাঁর স্ত্রী পাগলদিদিও অতিরিক্ত আফিম খেয়ে আত্মহত্যা করে।

 

উপন্যাসের সবচেয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব চলছে শশী ডাক্তার এবং কুসুমের মধ্যে। কুসুম শশী ডাক্তারকে প্রথম থেকেই অনেক পছন্দ করে, তাকে ভালোবাসে এবং বারবার তাকে বোঝাতে চেয়েছে। কিন্তু শশী ডাক্তার সেটা বোঝেনি; সে বারবার কুসুমকে অবহেলা করেছে। বিভিন্ন ভাবে শশী ডাক্তারকে বোঝাতে চেয়েছে যে সে তাকে ভালোবাসে, কিন্তু কোনভাবেই শশী তার ভালোবাসার কোন মর্যাদা দেয়নি। বারবার তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে।

 

পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের প্রধান বিষয় হলো শশী কুসুমের মনোজাগতিক ইতিবৃত্তি। শশী ডাক্তার ছিল, কিন্তু কুসুমের প্রতি উদাসীন ছিল। কুসুম বারবার নিজেকে মেলে দিয়েছে, কিন্তু শশী তার দিকে চোখ তুলে তাকায়নি। কুসুমকে কামনাতাড়িত নারী হিসেবে চিত্রিত করলেও তার চরিত্রের উজ্জ্বলতা সব চরিত্রকেই নিমিষে ম্লান করে দেয়। অন্যদিকে, শশী ডাক্তার আধুনিক, শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব ও বিত্তবান হওয়া সত্ত্বেও কুসুমের কাছে তার নাম এবং চরিত্র ম্লান হয়ে গেছে। অবশেষে, শশী যখন কুসুমকে ভালবাসতে শুরু করেছে, তখন কুসুম তাকে পেতে চেয়েছিল, কিন্তু নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল।

 

“চিরদিন কি এক রকম যায়? মানুষ কি লোহা দিয়ে গড়া যে চিরদিন একরকম থাকবে, বদলাবে না?”  [পুতুল নাচের ইতিকথা, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]

 

 

অবশেষে, শশী কুসুমকে হারায়। এভাবেই উপন্যাসে মানুষগুলো পুতুলের মতো নিয়তির অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা পড়ে শুধু অভিনয় করে গেছে। তাদের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও সংঘাত উদ্ভাসিত হয়েছে।

 

শশী একজন ডাক্তার হয়েও সর্বদা মৃত্যুর সাথে তার পরিচয় ছিল। তবুও, মৃত্যু উত্তীর্ণ জীবনের মহিমা প্রকাশ করে গেছে। উপন্যাসের শুরুতেই হারুর বজ্রাঘাতে মৃত্যু দিয়ে কাহিনী সূচনা হলেও জীবনের ব্যর্থতা দিয়ে কাহিনী সমাপ্ত হয়নি। তাই উপন্যাস শেষে শশী শুধু খুঁজে গেছে যারা এই গাওদিয়ায় ছিল এবং যারা এখন আছে।

 

পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসটি পরতে পরতে জড়িয়ে আছে মনস্তত্ত্ব। শশী কুসুমের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব বারবার এই উপন্যাসে ধরা পড়েছে। শশীর দুয়ারে বারবার হানা দিয়েছে কুসুম, অকপটে প্রেম নিবেদন করেছে। দুহাত বাড়িয়ে বাসনার তৃপ্তি খুঁজতে চেয়েছে। মানুষ নিজেকে চিনতে ও বুঝতে অনেক সময় লেগে যায়, শশীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। কুসুম সকল সামাজিক ও গ্রামীণ প্রথাকে অগ্রাহ্য করে শশীর কাছে যেতে চেয়েছে। চাঁদনী রাতে শশীকে নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছে।

 

তেমনি মতিরও ভালো লাগে শশী ডাক্তারকে। লেখক নারীমনের তপ্ত কামনার অন্দরমহলে প্রবেশ করে তাদের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরতে চেয়েছেন। মতি ও কুসুমের স্বপ্নের বিষয়বস্তু ধারণার সাথে বিন্দুর স্বপ্ন এবং কল্পনার জগতের পার্থক্য নিরূপণ করেছেন। উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র যেমন শশী, কুসুম, উদয়, যাদব, গোপাল সবাই লিবিডো তাড়নায় অস্থির। কেউ তাৎক্ষণিকভাবে উপলব্ধি করছে, কেউ শেষ মুহূর্তে।

 

ফ্রয়েডীয় মনোবিকল তত্ত্বের আলোকে এই উপন্যাসের অধিকাংশ চরিত্রের মধ্যে লিবিডো তাড়না প্রবল হয়ে উঠেছে। গোপাল এবং সেনদিদির মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের জেরে সেনদিদির গর্ভে গোপালের অবৈধ সন্তান জন্ম নেয়। অন্যদিকে, কুসুম শশী ডাক্তারের প্রতি নিবিড় তাড়না অনুভব করে।

 

“আপনার কাছে দাঁড়ালে আমার শরীর এমন করে কেন, ছোটবাবু?” [পুতুল নাচের ইতিকথা, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]

 

কুসুমের এই উক্তির মাধ্যমে তার মধ্যে লিবিডো চেতনা ধরা পড়ে। বিন্দু, নন্দলাল, কুমুদ, মতি প্রতিটি চরিত্রের মধ্যে লিবিডো চেতনা এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের প্রতিটি পরতে পরতে ধরা পড়ে।

 

পরিশেষে বলা যায়, বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম কালজয়ী উপন্যাস “পুতুল নাচের ইতিকথা”। এই উপন্যাসের মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিটি চরিত্রের অন্দরমহলে ডুব দিয়ে মনোজগতের অতল রহস্য ভেদ করেছেন। চরিত্রগুলোকে পুতুলের মতো অদৃশ্য সুতোয় বেঁধে নাচিয়েছেন এবং কাঁদিয়েছেন।

 

FAQ

১. পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসে ফ্রয়েডীয় তত্ত্ব কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে?
উপন্যাসে মানুষের অবচেতন মন, কামনা-বাসনা, দমন করা প্রবৃত্তি, মানসিক দ্বন্দ্ব ও আচরণের অন্তর্নিহিত কারণের মাধ্যমে ফ্রয়েডীয় মনস্তত্ত্বের প্রভাব প্রকাশ পেয়েছে।

২. ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ নামকরণ কতটা সার্থক?
মানুষের জীবন অনেক সময় সামাজিক নিয়ম, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, প্রবৃত্তি ও পারিপার্শ্বিকতার দ্বারা পরিচালিত হয়। এই কারণে মানুষকে যেন অদৃশ্য সুতোর টানে চলা পুতুল হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাই নামকরণটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সার্থক।

৩. পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসে ‘পুতুল’ প্রতীকের তাৎপর্য কী?
‘পুতুল’ এখানে প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত। এটি এমন মানুষকে বোঝায়, যারা নিজেদের ইচ্ছার পাশাপাশি সমাজ, পরিস্থিতি ও প্রবৃত্তির প্রভাবে পরিচালিত হয়।

৪. পুতুল নাচের ইতিকথা কি শুধু প্রেম ও সম্পর্কের উপন্যাস?
না। প্রেম ও সম্পর্ক উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এর পরিসর আরও বিস্তৃত। মানুষের মনস্তত্ত্ব, সামাজিক বাস্তবতা, অর্থনৈতিক সংকট, প্রবৃত্তি ও জীবনসংগ্রামও এতে গুরুত্বপূর্ণভাবে উঠে এসেছে।

৫. পুতুল নাচের ইতিকথায় মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের গুরুত্ব কী?
চরিত্রগুলোর বাহ্যিক আচরণের পাশাপাশি তাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব, আকাঙ্ক্ষা, হতাশা ও অবচেতন প্রবৃত্তিকে বোঝাতে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

 

 

আরো পড়ুন