“নেকলেস” গল্পের মাধ্যমে গল্পকার দেখিয়েছেন অতিরিক্ত উচ্চাশা, বিলাসিতার মোহ এবং কৃত্রিম জীবনের প্রতি অন্ধ আকর্ষণ মানুষের জীবনে কীভাবে চরম বিপর্যয় ডেকে আনে। নিজের ভাগ্য ও অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট না থেকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও বিলাসী জীবনের পেছনে ছুটলে জীবনের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়, তা এই গল্পে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই গল্পটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, আমি যে অবস্থানে আছি সেখানেই যেন সন্তুষ্ট থাকি। মিথ্যা ও কৃত্রিমতার পিছনে ছুটে যেন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয় না করি। নেকলেস গল্পটি HSC ও এডমিশন পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই আর্টিকেলে নেকলেস গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন-উত্তর, মূলভাব, চরিত্র বিশ্লেষণ এবং খুটিনাটি সবকিছু আলোচনা করা হয়েছে। এই আর্টিকেলটি পড়লে নেকলেস গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

নেকলেস গল্পের লেখক গি দ্য মোপাসাঁ
তিনি ১৮৫০ সালের ৫ই আগস্ট ফ্রান্সের নর্মান্ডি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মোপাসাঁর সাহিত্যিক অভিভাবক বিখ্যাত ঔপন্যাসিক গুস্তাভ ফ্লবেয়ারের মাধ্যমে তার সাহিত্যচর্চার হাতেখড়ি হয়। কাব্যচর্চা দিয়ে সাহিত্যচর্চা শুরু হলেও তিনি মূলত বিশ্ববিখ্যাত গল্পকার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি ১৮৯৩ সালে ৬ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।
নেকলেস গল্পের অনুবাদক পূর্ণেন্দু দস্তিদার
তিনি ১৯০৯ সালে ২০ জুন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি আইনজীবী, সমাজসচেতন লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি চট্টগ্রামে যুব বিদ্রোহে অংশ নেন। তার রচনাসমূহ হল:
- কবিয়াল রমেশ শীল
- স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রাম
- বীরকন্যা প্রীতিলতা
অনুবাদ গ্রন্থ
- চেখভের গল্প
- মোপাসাঁর গল্প
তিনি ১৯৭১ সালে ৯ই মে নিহত হন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে যাওয়ার পথে।
নেকলেস গল্পের মূলভাব বিশ্লেষণ
নেকলেস গল্পের নায়িকা মাদাম লোইসেলের জীবনের করুণ পরিণতির ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। দেখানো হয়েছে, বিলাসিতা মানুষকে জীবনের কোন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। মাদাম লোইসেল ছিল এক সাধারণ কেরানি পরিবারের মেয়ে। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল বড়। সে চাইত, তার অনেক বড়লোক স্বামী হবে। বিলাসিতা ও সাজসজ্জার মাধ্যমে জীবন কাটাতে চেয়েছিল। সে কল্পনা করত, তার বিয়ে হবে অনেক ধনী মানুষের সঙ্গে। যখন যেটা মন চাইবে, সেটা করতে পারবে, এমন বিলাসী জীবন চেয়েছিল মাদাম লোইসেল। প্রাসাদের মতো বাড়ি থাকবে, তারা যখন যেটা মন চাইবে, সেটা খেতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে তার বিয়ে হয় এক সাধারণ কেরানির সঙ্গে, ফলে জীবনের সব আশা-আকাঙ্ক্ষা মাটিতে মিশে যায়।
তার স্বপ্ন ভেঙে যায়। সে ছিল কল্পনাবিলাসী। স্বপ্ন ছিল, কীভাবে ধনী মেয়েদের মতো গহনা ও সাজসজ্জা করবে। স্বামীর এই দারিদ্র্যের জন্য সে সব সময় মন খারাপ করে থাকত। একদিন তারা জনশিক্ষামন্ত্রীর এক পার্টিতে আমন্ত্রণ পায়। কিন্তু পার্টিতে যাওয়ার মতো তার তেমন কোনো দামি পোশাকও কখনো ছিল না। এজন্য তার স্বামীকে পোশাক ও গহনা কিনে দেওয়ার জন্য জোর করে। স্বামী বন্দুক কেনার জমানো টাকা থেকে তাকে একটি ড্রেস কিনে দেয়। গহনা না থাকার জন্য তার মন খারাপ থাকে। এজন্য মাদাম লোইসেল তার বান্ধবীর কাছ থেকে একটি দামি নেকলেস ধার নেয়। দুর্ভাগ্যবশত, সেই নেকলেসটি সে হারিয়ে ফেলে, যার দাম ছিল চল্লিশ হাজার ফ্রাঁ। তারা তাদের সমস্ত জমানো টাকা এবং অনেক টাকা ঋণ নিয়ে সেই নেকলেসটি তার বান্ধবীকে ফিরিয়ে দেয়।
শুরু হয় তাদের দুর্ভাগ্যের জীবন। জীবনের সব বিলাসিতা নিমিষেই মাটির সঙ্গে মিশে যায়। মাদাম লোইসেল আগের বাড়িটি ছাড়তে বাধ্য হয়, আশ্রয় হয় একটি অন্ধকার ঘরে। নিজের দাসীকেও ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য ছাড়তে হয়। সে নিজের হাত দিয়ে ঘরের সব কঠিন কাজ করতে থাকে। একসময় তার সুন্দর চেহারায় দারিদ্র্যের ছাপ স্পষ্ট হয়। দশ বছর চলে এই পরিশ্রম। তারপর এই ঋণ শোধ হয়। জীবনের মূল্যবান দশটি বছর দিয়ে তার এই ঋণ শোধ করতে হয়েছে। সমস্ত জমানো টাকাসহ সব টাকা তাদের শেষ হয়ে গেছে। যে টাকা দিয়ে তারা ভালোভাবেই চলতে পারত, এখন সেই টাকাও তারা ভোগ করতে পারেনি। তারপর মাদাম লোইসেলের দেখা হয় তার সেই বান্ধবীর সঙ্গে। তার বান্ধবীকে সব কথা খুলে বলে। তখন তার বান্ধবী বলে, সেই নেকলেসটি নকল ছিল। তার মূল্য পাঁচশত ফ্রাঁর বেশি নয়।
এই গল্পটি আমাদের শেখায়, সব সময়ই নিজের অবস্থানে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও বিলাসিতা মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্যের কারণ হতে পারে। সামান্য একটি নেকলেসের জন্য তাদের দশ বছরের মূল্য দিতে হয়েছে। জীবনের সব বিলাসিতা নিমিষেই মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। তারা প্রথমে যে পরিস্থিতিতে ছিল, সেটাই ভালো ছিল। কিন্তু সে যখন বেশি বিলাসিতা করতে গিয়েছে, তখন তার জীবনের সব আনন্দ মাটি হয়ে গিয়েছে। একটি ভুলের মাশুল দিতে গিয়ে তাদের জীবনের দশটি বছর দিতে হয়েছে।
নেকলেস গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন-উত্তর
১. গী দ্য মোপাসাঁ কবে জন্মগ্রহণ করেন?
১৮৫০ খ্রিস্টাব্দের ৫ই আগস্ট ফ্রান্সের নর্মান্ডি শহরে
২. তাঁর পুরো নাম কি?
Henri-René-Albert-Guy de Maupassant
৩. গী দ্য মোপাসাঁ কবে মৃত্যুবরণ করেন?
১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দের ৬ই জুলাই
৪. পূর্ণেন্দু দস্তিদার কবে জন্মগ্রহণ করেন?
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের ২০এ জুন
৫. পেশাগত জীবনে তিনি কি ছিলেন?
আইনজীবী
৬. তিনি কবে মৃত্যুবরণ করেন?
১৯৭১ সালে ৯ই মে নিহত হন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে যাওয়ার পথে।
৭. গল্পের নায়কের নাম কি?
মসিয়ে/মসিয়ে লোইসেল
৮. গল্পের নায়িকার নাম কি?
মাতিলদা লোইসেল/মাদাম লোইসেল
৯. মাদাম লোইসেলের বন্ধবীর নাম কি?
মাদাম ফোরস্টিয়ার
১০. ‘সে ছিল চমৎকার এক সুন্দরী তরুণী’। এ বাক্যে ‘সে’ বলতে কাকে বুঝানো হয়েছে?
মাদাম লোইসেলকে
১১. নিয়তির ভুলেই যেন মাদাম লোইসেলের জন্ম হয়েছে কোন পরিবারে?
কেরানির পরিবারে
১২. মাদাম লোইসেলের বিয়ে হয় কার সাথে?
শিক্ষা পরিষদ আপিসের এক কেরানির সঙ্গে
১৩. কীসের অক্ষমতার জন্য সে সাধারণভাবে থাকত?
নিজেকে সজ্জিত করার
১৪. তার শ্রেণীর অন্যতম হিসাবে মাদাম লোইসেল কেমন ছিল?
অসুখী
১৫. কাদের কোনো জাতিবর্ণ নেই?
সাধারণ পরিবারের মেয়েদের
১৬. সাধারণ পরিবারের মেয়েরা জন্মের পরে পরিবার থেকে কোনটি সম্পর্কে সজাগ হয়ে ওঠে?
শ্রী, সৌন্দর্য, মাধুর্য
১৭. সাধারণ পরিবারের মেয়েদের আভিজাত্য হলো?
সহজাত চাতুর্য, প্রকৃতিগত রুচি ও বুদ্ধির নমনীয়তা
১৮. কীসের জন্য জন্ম হয়েছে বলে মাদাম লোইসেলের ধারনা?
সুরুচিপূর্ণ ও বিলাসিতার বস্তুর জন্য
১৯. মাদাম লোইসেল কী দেখে ব্যথিত হত?
বাসকক্ষের দারিদ্র্য, হতশ্রী দেয়াল, জীর্ণ চেয়ার এবং বিবর্ণ জিনিসপত্র
২০. মিসিয়ে এবং মাদাম লোইসেলের সাধারণ ঘরটি কে তৈরি করেছিল?
একজন খর্বকায় ব্রেটন
২১. মাদাম লোইসেল তার কতজন গৃহ-ভৃত্য থাকবে বলে ভাবত?
দুজন
২২. তার কল্পনায় রেশমি পর্দা এবং আসবাব কোথায় থাকবে?
বৈঠকখানায়
২৩. ছোট সুরভিত একটি কক্ষে অন্তরঙ্গ বন্ধুদের সাথে কখন গল্পগুজব করার কথা সে চিন্তা করে?
বিকাল পাঁচটায়
২৪. গোল টেবিলে ঢাকা টেবিল ক্লথটি কতদিন ব্যবহৃত হবে?
তিন দিন
২৫. এই গল্পে উল্লিখিত রোহিত মাছটি কোন রঙের?
গোলাপি রং
২৬. কী খেতে সিংহ-মানবী প্রণয়লীলার কথা শুনবেন?
মুরগির পাখনা
২৭. “সিংহ-মানবী” বলে কল্পনা করা হয়েছে কাকে?
মাদাম লোইসেলকে
২৮. কোনগুলো মাদাম লোইসেলের প্রিয় ছিল?
ফ্রক বা জরোয়া গহনা
২৯. মাদাম লোইসেলের ধনী বান্ধবীটি কে ছিল?
“কনভেন্ট” এর সহপাঠিনী
৩০. এক সন্ধ্যায় মঁসিয়ে লোইসেল কী নিয়ে ঘরে ফিরল?
একটি বড় খাম
৩১. ‘এই যে, তোমার জন্য এক জিনিস এনেছি।’ উক্তিটি কার?
মসিয়ে লোইসেলের
৩২. ১৮ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় নিজ বাসগৃহে মসিয়ে ও মাদাম লোইসেলের উপস্থিতি কামনা করেন কে?
জনশিক্ষামন্ত্রী ও মাদাম জর্জ রেমপন্নু
৩৩. মাদাম লোইসেল কোন দৃষ্টিতে স্বামীর দিকে তাকাল?
বিরক্তির
৩৪. পোশাক কেনার জন্য মাদাম লোইসেল তার স্বামীকে কত ফ্রাঁ এর কথা বলেছে?
চারশত ফ্রাঁ
৩৫. মসিয়ের বন্ধুরা গত রবিবারে ‘ভরতপাখি’ শিকারে কোথায় গিয়েছিল?
নানতিয়ারের সমভূমিতে
৩৬. মসিয়ের বন্ধুদের সাথে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা কবে?
আগামী গ্রীষ্মে
৩৭. মসিয়ে চারশত ফ্রাঁ সঞ্চয় করে রেখেছিল কেন?
‘বন্দুক’ কেনার জন্য
৩৮. ‘বল’ নাচের দিন যতই এগিয়ে আসতে থাকে মাদাম লোইসেলকে ততই কি মনে হয়?
বিচলিত ও উদ্ধিগ্ন
৩৯. কত ফ্রাঁ দিয়ে দুটি কি তিনটি অত্যন্ত চমৎকার গোলাপ ফুল পাওয়া যাবে?
দশ ফ্রাঁ
৪০. মাদাম ফোরস্টিয়ারের গোপন কক্ষের দরজাটি কীসের তৈরি?
কাঁচের
৪১. ‘ভাই যা ইচ্ছা এখান থেকে নাও’। উক্তিটি কার?
মাদাম ফোরস্টিয়ারের
৪২. কোনটি মনিমুক্তা খচিত চমৎকার কারুকার্যে ভরা?
সোনার ভিনিশাঁর ক্রুশ
৪৩. অপরূপ হীরার হারটি কিসে ছিল?
কালো স্যানিটের একটি বাক্সে
৪৪. ‘বল’ নাচের দিন কার জয়জয়কার ছিল?
মাদাম লোইসেলের
৪৫. মাদাম লোইসেল কেমন ছিল?
সুন্দরী, সুরুচিময়ী, সুদর্শনা, হাস্যময়ী ও আনন্দপূর্ণ
৪৬. মাদাম লোইসেলের সঙ্গে ‘ওয়ালটজ’ নৃত্য করতে ইচ্ছে হচ্ছিল কাদের?
মন্ত্রিসভার সব সদস্যের
৪৭. কে তারদিকে দৃষ্টি দিচ্ছিলেন?
স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী
৪৮. লোইসেল দম্পতি বাড়ি ফিরে গেল কখন?
ভোর চারটায়
৪৯. কারা খুব বেশি ফুর্তিতে মত্ত ছিল?
অন্য তিনজন ভদ্রলোকের স্ত্রী
৫০. মসিয়ে বিশ্রাম কক্ষে আধঘুমে বসেছিল কখন পর্যন্ত?
মধ্যরাত্রি পর্যন্ত।
৫১. ‘বল’ নাচের পোশাকে অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে কোনটির দারিদ্র্য সুপরিস্ফুট ছিল?
আট পৌরে সাধারণ চাদরটির
৫২. হতাশ হয়ে কাঁপতে কাঁপতে তারা কোথায় হাঁটতে থাকে?
সিন নদীর দিকে
৫৩. প্যারীতে সন্ধ্যার পর লোকের কি চোখে পড়ে?
নিশাচর দুই যাত্রীর গাড়ি
৫৪. পুরাতন গাড়িটি তাদের কোন পর্যন্ত নিয়ে গেল?
মার্টার স্ট্রিটে ঘরের দরজা পর্যন্ত
৫৫. “আমার-আমার-কাছে মাদাম ফোরস্টিয়ারের হারখানা নেই।” মাদাম লোইসেল উক্তিটি করল কিভাবে?
উত্তেজিত ভাবে
৫৬. হারটি খুঁজতে গিয়ে তার স্বামী ফিরে আসল কখন?
সকাল সাতটায়
৫৭. হারটি খুঁজতে মসিয়ে কোথায় গিয়েছিল?
পুলিশের কাছে ও গাড়ির আপিসে
৫৮. কী ঘোষণা করে মসিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে এসেছিল?
পুরস্কার
৫৯. বয়সে মসিয়ে তার বউ মাদাম লোইসেলের চেয়ে কত বছরের বড়?
পাঁচ বছরের
৬০. প্যালেস রয়েলে তার যে হীরার হারটি দেখেছিল তার মূল্য কত?
চল্লিশ হাজার ফ্রাঁ
৬১. প্যালেস রয়েলের হারটি তারা কত ফ্রাঁতে পেতে পারে?
ছত্রিশ হাজার ফ্রাঁ
৬২. হারটা কয় দিন বিক্রি না করার জন্য তারা স্বর্ণকারকে বিশেষ অনুরোধ করে?
তিন দিন
৬৩. ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হওয়ার আগে এই হারটি ফেরত দিলে তারা পাবে?
চৌত্রিশ হাজার ফ্রাঁ
৬৪. লোইসেলের কাছে তার বাবার মৃত্যুর পর কত ফ্রাঁ ছিল?
আঠারো হাজার ফ্রাঁ
৬৫. মাদাম লোইসেলের নখের রং ছিল?
গোলাপি
৬৬. মাদাম লোইসেল সাধারণ পরিবারের মেয়েদের মত পোশাক পরে হাতে ঝুড়ি নিয়ে কোথায় যায়?
মুদি, কসাই ও ফলের দোকানে
৬৭. তার স্বামী রাতে এক পাতা লেখা নকল করে কত ‘সাও’ হিসেবে?
পাঁচ সাও
৬৮. হারটির ধার করা মূল্য পরিশোধ করতে তাদের কত বছর সময় লাগল?
দশ বছর
৬৯. রবিবারে সারা সপ্তাহের নানা দুশ্চিন্তা দূর করতে মাতিলদা লোইসেল ঘুরে বেড়াচ্ছিল?
চামপস্-এলিসিসে
৭০. একটি শিশু নিয়ে ভ্রমণরতা ছিল কে?
মাদাম ফোরস্টিয়ার
৭১. ‘হায় আমার বেচারী মাতিলদা।’- উক্তিটি কার?
ফোরস্টিয়ারের
৭২. ফোরস্টিয়ারের হারটি কত ফ্রাঁ-এর বেশি হবে না?
পাঁচশত
৭৩. “সুপ্রভাত জেনি” উক্তিটি কার?
মাদাম ফোরস্টিয়ারের প্রতি মাদাম লোইসেলের
নেকলেস গল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
মাস | জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি। |
| ঋতু | শীত |
বার | রবিবার |
| রং | কালো, গোলাপি, লাল |
স্থান | প্যারী, নানতিয়ারের সমভূমি, মার্টার স্ট্রিট, প্যালেস রয়েল, থিয়েটার, চামপস-এলিসিস, শিক্ষা পরিষদ আপিস। |
ফুল | গোলাপ |
| নদী | সিন |
পোশাক | ফ্রক, গাউন, চাদর, শেমিজ |
| পশু-পাখি | সিংহ, ভরতপাখি, মুরগি |
ধাতব পদার্থ | স্বর্ণ, রৌপ্য, হীরা, মুক্তা, কঙ্কন, ব্রোঞ্জ |
| মুদ্রা | ফ্রাঁ |
তারিখ | ১৮ই জানুয়ারি |
| মাছ | রোহিত মাছ |
চাকুরিজীবী ও ব্যবসায়ী | কেরানি, মুদি, কসাই, স্বর্ণকার |
| অন্যান্য | ‘বল’ নাচ, ‘ওয়ালটজ’ নৃত্য, ক্রুশ, বন্ধুক |
আরো পড়ুন
- আমার পথ প্রবন্ধ প্রশ্ন উত্তর
- বিড়াল প্রবন্ধ’র মূলভাব, Best 40 টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
- রেইনকোট গল্প’র মূলভাব ও Best 50 টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
- অপরিচিতা গল্প‘র, Best 40 টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর ও মূলভাব
- HSC বাংলা ১ম পত্র Best সাজেশন 2026, গুরুত্বপূর্ণ সব অধ্যায়
- Hsc বাংলা ২য় পত্র best সাজেশন ২০২৬
- মাসি পিসি গল্প’র সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর,HSC+Admisson Best1
- চাষার দুঃখ প্রবন্ধ: মূলভাব ও Best 50 সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর HSC
- লালসালু উপন্যাসের মূলভাব
Md Oliur Rahman Sohag বাংলা সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ, কবি-সাহিত্যিক জীবনী এবং শিক্ষামূলক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। তিনি Study Journal X-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কনটেন্ট লেখক।
