বিশ শতকের মাঝামাঝি বাংলা সাহিত্যে আবির্ভাব হয় প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মণের। একটি মাত্র উপন্যাস লিখে তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে প্রান্তিক, অসহায় নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনসংগ্রামের চিত্র। বাংলা সাহিত্যের এক অনবদ্য সৃষ্টি তিতাস একটি নদীর নাম। বাংলা উপন্যাসে যেকটি জনপ্রিয় ও কালজয়ী, তন্মধ্যে তিতাস একটি নদীর নাম অন্যতম। নদীভিত্তিক উপন্যাস হিসেবেও এই উপন্যাসের জুড়ি নেই। কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও নিম্নবর্গের জীবনরূপায়ণেও উপন্যাসটি শুধু দেশীয় নয়, বৈদেশিক সুনাম ও অর্জন করেছে। তিতাসতীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবনই এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় বিষয়।

উপন্যাসের শুরুতেই লেখক নদীর সঙ্গে জীবনের তুলনা করেছেন। নদী যেভাবে ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে লক্ষ্যস্থলে উপনীত হয়, মানুষও সেভাবে ভাঙতে ভাঙতে, গড়তে গড়তে নিজের জীবন নির্মাণ করে এগিয়ে চলে। এই উপন্যাসের লেখক অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মালোদের সমাজজীবনকে চিত্রিত করেছেন। তিতাস নদীর কূলে লালিত-পালিত এই জনজীবন তিতাসপারের সংস্কৃতিতে পুষ্ট। মালোদের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ তিতাসের ওপর নির্ভরশীল। লেখক নিজে মালোসমাজের অন্তর্ভুক্ত বলে মালোদের আতের কথাকে হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করে এই উপন্যাসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রকাশ করেছেন। আর সেজন্যই বিশ শতকের এক ব্যতিক্রমী সৃষ্টি হয়েছে তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসে।
তিতাস নদীর সঙ্গে মালোদের জীবনের বাঁধন এক সূত্রে গাঁথা। জন্মের পর থেকেই মালোরা নদীকে দেখে আসছে। তিতাস শুধু তাদের খোরাক জোগায় না, তাদের আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখের একমাত্র সাথী নদী। নদীকে নিয়ে তাই তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, উদ্দীপনার কোনোদিন শেষ নেই। নদী ছাড়া মালোদের অবস্থা জলবিহীন মাছের মতো। ঔপন্যাসিকের ভাষায়,
“তাদের দিনে রাতে সাথী বলতে এই নদী।” (তিতাস একটি নদীর নাম, অদ্বৈত মল্লবর্মণ)
তিতাসপারের মানুষের মধ্যে নেই অর্থের প্রতি মোহ, নেই শক্তি-সামর্থ্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নেই বংশকুলের অহংকার, নেই নাম-যশের আত্মাভিমান। আছে সাধারণ মানুষের অসাধারণ প্রেম, প্রীতি, ভালোবাসার নিবিড় বন্ধন। নদীর সঙ্গে তাদের আত্মিক সম্পর্ক। জমিলা, কাদির, উদয়তারা, অনন্ত, বালা সবার সম্পর্ক যেন গ্রথিত হয়ে যায় নদীর সঙ্গে। প্রতিটি চরিত্রই যেন একেকটি মানবতার প্রতীক। এই তিতাসপারের মানুষের অর্থ না থাকলেও আছে বুকভরা ভালোবাসা। নদীর গতিময়তা আর অনন্তের চঞ্চল মন একই ধারায় প্রবাহিত। নদী অববাহিকায় বসবাসরত মালো সম্প্রদায়ের মানুষ মাছ ধরে, নৌকা বেয়ে জীবন অতিবাহিত করে। জীবন-জীবিকার জন্য এই শ্রেণির মানুষ দিন-রাত পরিশ্রম করলেও প্রাচুর্যের মুখ কখনো দেখে না। অভাব-অনটন আর তাদের জীবন যেন একই সুতোয় গাঁথা। তবুও এ দুঃখ-দারিদ্র্যপূর্ণ জীবনে আসে প্রেম-ভালোবাসা। সেখানেও নিরবচ্ছিন্ন সুখ মেলে না। সংসারজীবন কাটে দুঃখ-দারিদ্র্যে। অদ্বৈত মল্লবর্মণ সেই দৈন্যপীড়িত মানুষের মুখ এঁকেছেন তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসে।
তিতাসপাড়ের মানুষেরা নিজেদের মধ্যে নিজেদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয়। পূজা-পার্বণ, অনুষ্ঠানের আয়োজন তারা নিজেরাই করে। যখন মাছ ধরার সময় আসে, তখন তাদের মধ্যে এক ধরনের উৎসবের আমেজ কাজ করে। নদীকে কেন্দ্র করেই তাদের সমস্ত সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা। নদী যেন তাদের মা-বাপ। হাজার ঝড়ের রাতেও কোনো বধূ তার স্বামীকে নদীতে মাছ ধরার জন্য যেতে নিষেধ করে না, কোনো মা তার সন্তানকে যেতে বাধা দেয় না। কারণ সে জানে, এই নদী কখনো তাদের ক্ষতি করবে না। আবার নদী শুকিয়ে গেলে তাদের দুঃখের কোনো সীমা থাকে না। নদীকে কেন্দ্র করেই তাদের হাজার বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
শোষক-শোষিতের সম্পর্কের মধ্যে দুর্বলরা কীভাবে চতুর্দিকের আক্রমণে নাজেহাল হয়, তার ইঙ্গিত পাই এই উপন্যাসে। মধ্যস্বত্বভোগী দালালের রক্তচক্ষুকে মালোরা ফাঁকি দিতে পারে না। সমাজের উচ্চবর্গীয়, অর্থে বলীয়ান মানুষদের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর ক্ষমতা মালোদের নেই। গ্রাম থেকে মাছ কিনে শহরে গিয়ে তা বিক্রি করলে ভারপ্রতি দুই আনা করে জমিদারের লোককে মাসুল দিতে হয় মালোদের। মালোরা কঠিন পরিশ্রম করে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে, কিন্তু তারা ন্যায্য মূল্যটুকুও পায় না। সমাজের উঁচু জাতের কাছে তারা সব সময় নির্যাতিত হয়েছে, সমান অধিকার কখনো পায়নি তারা। মালো বলে তাদেরকে সব সময় নিচু চোখে দেখত উচ্চ সম্প্রদায়ের মানুষেরা। পূজা-পার্বণ, এমনকি সকল অনুষ্ঠানেও তাদেরকে উপেক্ষা করা হতো। এই উপন্যাসে শ্রেণিশোষণের চিত্র দেখা যায়। এত কষ্ট করে নদী থেকে মাছ ধরলেও তারা কখনো একটি বড় মাছ খেতে পারে না। অর্থের জন্য সেটিও বিক্রি করে দিতে হয়।
এ উপন্যাসে ফুটে উঠেছে মৎস্যজীবীদের জীবন। কষ্টের হলেও তা নির্বিঘ্ন নয়। প্রাকৃতিক নিয়মে এক সময় নদীতে চর পড়ে। নদী তার যৌবন হারায়, সেই সঙ্গে শেষ হয় নদীর মাছ ও জলের তরঙ্গ। নিরুপায় জেলেরা বেঁচে থাকার তাগিদে তাদের যুগ-যুগান্তরের আবাস ছেড়ে জীবিকা অন্বেষণে অন্যত্র পাড়ি জমায়। আবার উপায়ান্তর না পেয়ে সেখানেই থেকে যায়। তখন তাদের দুঃখের সীমা আরও দীর্ঘায়িত হয়। এ যেন এক নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। অসহায় তিতাসপারের এসব দরিদ্র মানুষের দীর্ঘশ্বাস চিত্রিত হয়েছে তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসে।
এই উপন্যাস আমাদের আরেকটি বিষয় দেখায়, সেটি হলো গ্রামীণ সমাজ ও নদীকেন্দ্রিক সমাজ ভেঙে যাওয়ার দৃশ্য। অর্থাৎ নবীন ও প্রবীণের দ্বন্দ্ব। নদী শুকিয়ে গেলে তাদের জীবিকার উৎস শেষ হয়ে যায়। ফলে তারা গ্রাম ছেড়ে দলে দলে অন্যত্র পাড়ি দেয় জীবিকার আশায়। কিশোরের ছেলে অনন্তের ছেলেবেলা এখানে কাটলেও পরবর্তীতে সে বনমালির আশ্রয়ে শহরে চলে যায়। সেখানে গিয়ে অনন্ত লেখাপড়া করে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়। ফলে মালোদের ঐতিহ্যবাহী জীবনের সঙ্গে তার মানসিক দূরত্ব ঘটে। সে কখনো আর এই জীবনে ফিরে আসে না। এখানে নবীন ও প্রবীণের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা যায়।
উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো তিতাস, যাকে কেন্দ্র করে উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে। নদীকে কেন্দ্র করে মালোপাড়ার মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, বিরহ সবকিছু। নদী যেন তাদের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। শুধু তাদের জীবিকা নয়, তাদের সুখ-দুঃখেরও একটি বড় অংশ। নদী শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মালোসমাজের পতন ঘটে। এই নদীকে কেন্দ্র করেই উপন্যাসটি লিখেছেন অদ্বৈত মল্লবর্মণ। উপন্যাসে নদীর গুরুত্ব অপরিসীম।
তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের প্রধান ও সবচেয়ে সরল চরিত্র কিশোর। কিশোর একজন ভবঘুরে মানুষ। বাসন্তী, কিশোর ও সুবলের মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল। বাসন্তী কিশোরকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু মাছ ধরতে গিয়ে অন্য এক গ্রামের মেয়ের সঙ্গে কিশোরের বিয়ে হয় কাকতালীয়ভাবে। বিয়ে করে বউ নিয়ে আসার সময় রাতে তাদের নৌকা থেকে তার বউকে ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এরপর তার জীবনে ট্র্যাজেডি নেমে আসে। শেষ পর্যন্ত কিশোর নিখোঁজ হয়ে যায়। সে এই উপন্যাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল চরিত্র।
কিশোরের প্রাণপ্রিয় ও অকৃত্রিম বন্ধু ছিল সুবল। কিশোরের বিপদে-আপদে সব সময় পাশে থেকেছে সুবল। বন্ধুত্বের প্রতি তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিল। তাই যখন কিশোর নিখোঁজ হয়ে যায়, তখন সুবল তাকে খোঁজার জন্য উন্মাদ হয়ে যায়। সে মালো সংস্কৃতির ধারক ছিল। উদ্দাম গতিতে নদীতে নৌকা চালাত, জাল ফেলত। মালো সমাজের ঐতিহ্যবাহী গান ও সংস্কৃতিকে নিজের অন্তরে ধারণ করেছিল। মালো সংস্কৃতিকে সে মনে-প্রাণে ধারণ করত। নদী শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যায়। তাই এই উপন্যাসে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সুবল।
এই উপন্যাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও ট্র্যাজিক নারী চরিত্র বাসন্তী। সে ছিল মালো সম্প্রদায়ের মধ্যে একমাত্র ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী, যে শুধু ঘরের কোণে বসে থাকত না। সমাজের বিভিন্ন সংকটে সে সোচ্চার ভূমিকা পালন করত। মালো সমাজের ঐতিহ্যবাহী উৎসব, নাচ-গান ও বিভিন্ন রকম উৎসবে মানুষকে মাতিয়ে রাখত। বাসন্তী কিশোরকে ভালোবাসত, কিন্তু কিশোর যখন অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে, তখন সে বিরহে কাতর হয়ে যায়। নিজের কষ্ট নিজের অন্তরের ভেতর লুকিয়ে রাখে। কিশোর যখন উন্মাদ হয়ে যায় এবং তার স্ত্রী যখন অকালে মৃত্যুবরণ করে, তখন বাসন্তী কিশোরের ছেলে অনন্তের দায়িত্ব নিয়ে স্নেহের সঙ্গে আগলে রাখে। এখানে তার মাতৃত্বের মহিমা প্রকাশ পায়।
বাসন্তীর জীবনে দুঃখের কোনো শেষ ছিল না। প্রথমে সে কিশোরকে হারায়, পরে বিধবা হয়ে দারিদ্র্যের সঙ্গে দিন পার করে। তিতাস শুকিয়ে যাওয়ার পরে মানুষ যখন গ্রাম ছেড়ে চলে যায়, তখন এই ভিটেমাটি আঁকড়ে ধরে সে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করে। বাসন্তীকে তিতাস নদীর প্রতীক হিসেবে এই উপন্যাসে দেখানো হয়েছে। যেমন একসময় তিতাসের ভরা যৌবন ছিল, শেষ পর্যন্ত নদী জীর্ণ হয়ে তার যৌবন হারায়, তেমনি বাসন্তীরও একসময় রঙিন জীবন ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা মরুভূমিতে পরিণত হয়। জীবনের সমস্ত আনন্দ, বেদনা, সুখ সবকিছু থমকে যায় নদীর সঙ্গে সঙ্গে। তাই বাসন্তীকে তিতাস নদীর সঙ্গে তুলনা করা যায়।
তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের অন্যতম একটি ট্র্যাজিক চরিত্র অনন্ত। সে কখনো বাবার স্নেহ-ভালোবাসা পায়নি। বাবা-মায়ের যখন মিলন ঘটে, তখন তারা দুজনেই মারা যায়। সামনে বাবা-মাকেই মরতে দেখে অনন্ত। বাসন্তী তাকে কোলে তুলে নেয়, স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে তাকে বড় করতে থাকে। তারপর বনমালির আশ্রয়ে সে শহরে চলে যায় এবং সেখানে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়। সে আর কখনো মালো সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে আসেনি। এখানে নবীন ও প্রবীণের দ্বন্দ্ব দেখা যায় তার মাধ্যমে।
পরিশেষে বলা যায়, চিরলাঞ্ছিত, অবহেলিত, উৎপীড়িত, শোষিত, বঞ্চিত, দুর্বল, নিরুপায়, অখ্যাত, উপেক্ষিত, ব্রাহ্মণ্যবাদী সমাজব্যবস্থার যাঁতাকলে যারা নিষ্পেষিত, কোনোদিন সচ্ছলতার বোধ যাদের মধ্যে জন্মায়নি, সেই নিম্নবর্গীয় মালোসমাজ ও জেলেদের জীবনযাত্রা অদ্বৈত মল্লবর্মণ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হৃদয়ের মর্মব্যথাকে উজাড় করে, অশ্রুজলে সিক্ত করে বর্ণনা করেছেন এই উপন্যাসে। তাই নিঃসন্দেহে এ কথা বলা যায়, চিত্রিত চরিত্র ও সমাজজীবনের বাস্তবায়নে তিনি মৃত মানুষের মধ্যেও প্রাণরসের সঞ্জীবনী ধারাকে প্রবাহিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
FAQ
১. তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কে?
উত্তর: তিতাস নদীই এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। নদীকে কেন্দ্র করেই মালো সম্প্রদায়ের জীবন, জীবিকা, সুখ-দুঃখ ও সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
২. তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসে মালো সমাজের কী চিত্র ফুটে উঠেছে?
উত্তর: উপন্যাসে মালো সমাজের দারিদ্র্য, শোষণ, বঞ্চনা, সংগ্রাম, প্রেম-ভালোবাসা এবং নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
৩. তিতাস নদীর সঙ্গে মালোদের সম্পর্ক কেমন?
উত্তর: তিতাস নদী মালোদের জীবিকা, সংস্কৃতি ও আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। নদীকে কেন্দ্র করেই তাদের জীবনের সুখ-দুঃখ আবর্তিত হয়েছে।
৪. তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসে বাসন্তী চরিত্রের গুরুত্ব কী?
উত্তর: বাসন্তী উপন্যাসের অন্যতম উজ্জ্বল ও ট্র্যাজিক নারী চরিত্র। তার জীবনসংগ্রাম, ভালোবাসা, মাতৃত্ব ও দুঃখের মধ্য দিয়ে মালো সমাজের নারীর জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।
৫. তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসে অনন্তের মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: অনন্তের মাধ্যমে নবীন ও প্রবীণের দ্বন্দ্ব এবং ঐতিহ্যবাহী মালো সমাজ থেকে আধুনিক শিক্ষিত জীবনে পরিবর্তনের চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।
আরো পড়ুন
- চোখের বালি উপন্যাসের বিষয়বস্তু
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের বিষয়বস্তু, চরিত্র বিশ্লেষণ ও নামকরণের সার্থকতা
- গোরা উপন্যাস এর অসাম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবাদ
- আবুল হাসানের পৃথক পালঙ্ক কাব্য’র প্রেম ও বিরহ চেতনা
- দ্বিতীয় দিনের কাহিনী উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ
- গীতাঞ্জলি কাব্য’র আধ্যাত্মিকতা ও মানবপ্রেম।
- অগ্নিবীণা কাব্য’র আলোকে কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা
- সোনার তরী কাব্য’র প্রকৃতি ও সৌন্দর্য প্রেম
- বনলতা সেন কাব্য’র চিত্ররূপকল্পময়তা
Md Oliur Rahman Sohag বাংলা সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ, কবি-সাহিত্যিক জীবনী এবং শিক্ষামূলক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। তিনি Study Journal X-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কনটেন্ট লেখক।
