শেষ লেখা কাব্যের বিষয়বস্তু, মৃত্যুভাবনা ও জীবনদর্শন

শুধুমাত্র বাংলা সাহিত্যে নয়, বিশ্বসাহিত্যেও বিস্ময়কর প্রতিভাবান এক ব্যক্তিত্ব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১)। সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তিনি সব্যসাচীর মতো বিচরণ করেছেন। তিনি শুধু একজন কবি নন, দার্শনিকও বটে। তাঁর দার্শনিকতার প্রমান মেলে স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসবোধ, জীবন ও জগত সম্পর্কে তাঁর দার্শনিক ভাবনায়। আর এই দার্শনিকতার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থে। রবীন্দ্রনাথ ৮ বছর বয়স থেকে লেখালেখি শুরু করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কবিতা আঙড়িয়েছেন। জীবনের সকল অভিজ্ঞতা এক জায়গায় জড়ো করে শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন। এই আর্টিকেলে শেষ লেখা কাব্যের বিষয়বস্তু, মৃত্যুভাবনা ও জীবনদর্শন আলোচনা করা হল।

শেষলেখা কাব্যগ্রন্থ

শেষ লেখা কাব্যের বিষয়বস্তু

শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থ ১৯৪১ সালে মাত্র ১৫ টি কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনের লেখা। কবির জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাড়িয়ে লেখা জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তার দার্শনিক উপলব্ধিগুলো এই কাব্যের বিষয়। কবি শেষ বয়সে রোগ,শোক, বার্ধক্যজনিত কারনে একেবারে শয্যাশায়ী হয়ে যায়, এছাড়া তার জীবনের শেষ লগ্ন আসতে আসতে তিনি হারিয়েছেন তার অনেক প্রিয় মানুষ। জীবনের রূঢ় বাস্তবতা ইতোমধ্যেই তিনি দেখে ফেলেছেন। সেই শয্যাশায়ী , জরাজীর্ণ, শোক তাপ আর অসুস্থ অবস্থায় তাঁর জীবনের শেষ কটি দিনের দার্শনিক উপলব্ধি তিনি এই কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন।

শেষ লেখাটা কাব্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু চেতনার স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। তিনি মৃত্যুকে কিভাবে দেখেছেন ফুটে উঠেছে। জীবনের শেষ সময়ে এসে মৃত্যুকে চোখের সামনে দেখে জীবনের সব স্মৃতি মনে পড়ে যায়। তিনি মনে করেন মৃত্যু পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় সত্য। যাকে কখনো অস্বীকার করা যায় না। তাই মৃত্যুকে ভয় না পেয়ে আলিঙ্গন করতে হবে। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে স্রষ্টার সান্নিধ্য পাওয়া যায়। পরমাত্মার সাথে জীবত্মার মিলন ঘটে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। জীবনের শেষ লগ্নে এসে তিনি শেষ লেখা কাব্যে এই উপলব্ধি ব্যক্ত করেন। তাই তিনি মৃত্যুকে কাছে টেনে নিতে বলেছেন এই কাব্যে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ লেখা কাব্যের ১ সংখ্যক কবিতায় তিনি স্রষ্টার মধ্যে মুক্তি খুঁজে পেয়েছেন, জীবনের অন্তিম শান্তিপারাবার অনুভব করেছেন স্রষ্টার মধ্যে।

“সমুখে শান্তিপারাবার,

ভাসাও তরণী হে কর্ণদার।

তুমি হবে চিরসাথী,

লও লও হে ক্রোড় পাতি”

 (শেষ লেখা; ১ সংখ্যক কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

রবীন্দ্রনাথ এই কবিতায় স্রষ্টাকে চিরসাথী হিসেবে দেখেছেন। তিনি তার মৃত্যুপথে অনুভব করেছেন জীবনের সবকিছু ক্ষনস্থায়ী, সব সম্পর্ক ক্ষনস্থায়ী। সবাই একদিন ছেড়ে চলে যায় কিন্তু স্রষ্টা সে তো চিরসাথী, স্রষ্টার মধ্যেই মুক্তি। কবি বলেছেন, যখন তিনি এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করবেন তখন স্রষ্টা যেন কবিকে ক্রোড় পেতে কবিকে আশ্রয় দেন। স্রষ্টা যেন কবিকে ক্ষমা করেন এবং তার চিরপাথেয় হন এই আশা কবি ব্যক্ত করেছেন এই কবিতায়। এই কবিতায় কবি স্রষ্টাকে ভয় পেয়ে নয় বরং পরম নির্ভরতা ও নিশ্চয়তা প্রতীক হিসেবে অন্তরে অনুভব করেছেন। তিনি শেষ সময়ে স্রষ্টাকে সবজায়গায় সবসময় দেখতে পান, দেখতে পান স্রষ্টাকে অসীমের পথে ধ্রুবতারার মতো জ্বলতে। এক নিশ্চিন্ত, নির্ভয়তা খুঁজে পান স্রষ্টার মধ্যে কবি। এই উপলব্ধিই ১ সংখ্যক  কবিতার মূল উপজীব্য।

২ সংখ্যক কবিতায় কবি বলেছেন, মৃত্যু সত্য, কিন্তু এই মৃত্যু তার জীবনের স্বর্গীয় সুখকে ম্লান করতে পারবে না। তাঁর সারাজীবনের অভিজ্ঞতা, তাঁর জ্ঞানগরীমা সবকিছুই এই মর্ত্যে স্বর্গ সমতুল্য। মৃত্যু তার এই স্বর্গীয় অনুভূতিকে গ্রাস করতে পারবে না।

“রাহুর মতন মৃত্যু

শুধু ফেলে ছায়া,

পারেনা করিতে গ্রাস জীবনের স্বর্গীয় অমৃত

জড়ের কবলে”

 (শেষ লেখা; ২ সংখ্যক কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

মৃত্যু রাহুর মতো গ্রাস করলেও জীবনের স্বর্গীয় অমৃতকে কখনো গ্রাস করতে পারবে না। জড়ের কবলে তা কখনো বিলীন হবে না যা কবি পৃথিবীকে দিয়ে গেছেন। তাঁর সৃষ্টি মানুষের মধ্যে সারাজীবন থেকে যাবে।  মৃত্যু কবিকে নিশ্চহ্ন করতে পারবে না। তিনি স্রষ্টার প্রতি যে ভালোবাসা ও প্রেম দিয়েছেন, সেই প্রেমের মূল্য কখনো অস্বীকার হওয়ার নয় বলে ব্যক্ত করেছেন। কবির সৃষ্টি জগৎ অর্থাৎ তার সৃষ্টি সকল সাহিত্যসম্ভারের প্রতি এক অনুধ্যান ব্যক্ত করেছেন এই কবিতায়। তিনি সৃষ্টিসম্ভার দিয়ে মানবের মাঝে বাঁচতে চান। মৃত্যু তাঁর এই সৃষ্টিকে কখনো মুছে ফেলতে পারবে না এই পৃথিবী থেকে। জীবনের স্বর্গীয় যে অমৃত এই ধরাতে বসে পান করেছেন সেই অমৃতকে মৃত্যু কখনো গ্রাস করতে পারবে না বলে মনে করে করেন।

৫ সংখ্যক কবিতায় কবি শেষ জীবনে এসে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন। শয্যাশায়ী কবির প্রিয়জনের জন্য মন ব্যাকুল হয়ে পড়েছে। প্রিয়জনের ভালোবাসা তাঁর সান্নিধ্য যেমন তিনি পেতে চেয়েছেন শেষ সময়ে, তেমনি পূর্বের সকল সুখস্মৃতি কবিকে হাতছানি দিয়েছে তাইতো কবি বলেছেন

“বিদেশের ভালোবাসা দিয়ে

 যে প্রেয়শী পেতেছে আসন

চিরদিন রাখিবে বাঁধিয়া

কানে কানে তাহারি ভাষণ।”

 (শেষ লেখা; ৫ সংখ্যক কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

কবি তার যৌবনে একবার ইংল্যান্ডে সফরকালে ভিক্টোরিয়া ওকাম্পের প্রেমে পড়েছিলেন। সেই স্মৃতি যেমন মৃত্যুকালে তাকে হাতছানি দেয়। সেই সাথে তাঁর মনে হয় পরপারের কথা। বিদেশ অর্থাৎ পরপারে কোনো এক প্রেয়সী কবির জন্য আসন পেতে আছে, কবির জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছে। কবির যেন শুনতে পায় সেখানে অর্থাৎ পরপারে প্রেয়সীরা ছেড়ে যায় না, চিরদিন অনন্তকাল কবিকে সে প্রেয়সী বেঁধে রাখবে, কবির কানে কানে যেন সে বার্তাই দিয়ে যায়। এখানে তিনি পরম স্রষ্টাকে অসীমকে তাঁর প্রেয়সী রূপে দেখেছেন। তিনি যেন স্রষ্টার সান্নিধ্য পেতে যাচ্ছেন সে বার্তাই শুনতে পাচ্ছেন এই কবিতায়।

১০ সংখ্যক কবিতায় কবি তাঁর জন্মদিনে বন্ধুবান্ধব, প্রিয়জন, আত্মীয় স্বজনের প্রীতি, ভালোবাসা ও সান্নিধ্য অনুভব করতে চান সে আকুলতাই এই কবিতায় ব্যক্ত হয়েছে। আর এই প্রীতি, স্নেহ, সান্নিধ্য, ভালোবাসা তিনি শেষ জীবনের আর্শীবাদ হিসেবে ওপারে নিয়ে যেতে চান। কবি বলেন-

“প্রতিদানের যদি কিছু পাই

কিছু স্নেহ, কিছু ক্ষমা

তবে তাহা সঙ্গে নিয়ে যাই

পারের খেয়ায় যাব যবে ”

(শেষ লেখা; ১০ সংখ্যক কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

এখানে তিনি এই পৃথিবীকে, পমথিবীর মানুষকে অনেক কিছু দিয়েছেন। তাঁর সৃষ্টিসম্ভার দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ করেছেন বিনিময়ে তিনি কিছু চান না, তবে তাঁর শেষ সময়ে তিনি শুধু কিছু ক্ষমা, স্নেহ, ভালোবাসা চান। এমন মহান ও গভীর অনুভব তিনি এই কবিতায় ব্যক্ত করেছেন। বিশ্ববাসীকে তাঁর সৃষ্টি সম্ভার দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন অথচ প্রতিদানে তিনি চান একটু ক্ষমা ও স্নেহ।

শেষ লেখার ১১ সংখ্যক কবিতায় কবি কঠিন সত্যকে ভালোবেসেছেন। বাস্তবতার যে কাঠিন্য দিয়ে গড়া সেটাকে কবি উপেক্ষা না করে বরং হৃদয়াঙ্গম করেছেন কারন সত্য কঠিন হলেও সে কখনো বঞ্চনা করে না এমনটাই কবি এই কবিতায় ব্যক্ত করেছেন।

“সত্য যে কঠিন,

কঠিনেরে ভালোবাসিলাম,

সে কখনো করে না বঞ্চনা।”

(শেষ লেখা; ১১ সংখ্যক কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

কবি তাঁর সারাজীবনের অভিজ্ঞতায় জীবনের নানা বৈচিত্র্য সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তিনি দেখেছেন বাস্তব জীবনের তিক্ততা, কঠিন সত্যের নিষ্ঠুরতা। আঘাত, বেদনায় জর্জরিত হয়ে নিজের অস্তিত্বকে তিনি চিনেছেন। জীবনকে আজন্মকাল তিনি কঠিন ও নিষ্ঠুর বলে জেনেছেন আর কঠিন ও নিষ্ঠুরতার আরেক নাম সত্য। এই নিষ্ঠুর সত্যকে ভালোবেসে কবি আমৃত্যু দুঃখের তপস্যা করতেও রাজি আছেন। তিনি সত্যের কঠিনতম সুন্দর রূপ এবং স্রষ্টারূপ সত্যকে ভালোবেসেছেন কবি উপলব্ধি করেছেন সত্য যতই কঠিন হোক সে কখনো মানুষকে বঞ্চনা করবে না।

১২ সংখ্যক কবিতায় কবি বিধাতার সাথে মানুষের কথোপকথন বা সম্পর্ক উপস্থাপন করেছেন। বিধাতা মানুষকে দেওয়া তাঁর আপন সৃষ্টিসম্ভার পরীক্ষা করেন।স্রষ্টা যেমন পৃথিবীতে সৃষ্টিকে পাঠান সেই সৃষ্টি কিভাবে তার সৃষ্টিশীলতা দিয়ে পৃথিবীর কল্যাণ সাধন করেন তা বিধাতা দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

“প্রথম দিনের সূর্য

প্রশ্ন করেছিল

সত্তার নতুন আবির্ভাবে –

কে তুমি?

মেলে নি উত্তর।”

(শেষ লেখা; ১২ সংখ্যক কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

এখানে কাজের মধ্য দিয়ে মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ইঙ্গিত প্রদান করেছেন কবি। অবশ্য এই কবিতার উত্তর বোধহয় কবি তাঁর ১০ সংখ্যক কবিতায় দিয়ে গেছেন! কারন কবি তাঁর সৃষ্টিকর্মের কথা ভেবে আনন্দিত হয়েছেন। তাই বিধাতার ওমন প্রশ্নে কবি হয়ত খুশিই হয়েছেন কারন তাঁর জন্ম যে বৃথা নয়। তিনি বিধাতার এই ধরিত্রীকে দুহাতে দান করেছেন তাঁর সৃষ্টিশীলতা।

রবীন্দ্রনাথের শেষ লেখার ১৫ সংখ্যক অর্থাৎ কবির জীবনের সর্বশেষ কবিতাতে তিনি তাঁর জীবনের পরম সত্যকে চিনেছেন কারন তিনি স্রষ্টাকে চিনেছেন। এই কবিতায় তিনি স্রষ্টার বন্দনা করেছেন। স্রষ্টার দেখানো পথ আপাতদৃষ্টিতে কঠিন মনে হলেও সে পথই মুক্তির পথ বলে মন্তব্য করেছেন কবি।

“তোমার জ্যোতিষ্ক তা’রে

যে পথ দেখায়

সে যে চির স্বচ্ছ,

সহজ বিশ্বাসে সে যে

করে তা’রে চির সমুজ্জ্বল।”

(শেষ লেখা; ১৫ সংখ্যক কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

স্রষ্টাকে কবি বাস্তবিকই চিনতে পেরেছেন তাই তো কবি বলেছেন স্রষ্টার হাতেই শান্তির চিরশ্বাশ্বতরূপ কবি দেখতে পেয়েছেন। তিনি সত্যের আলে দিয়ে স্রষ্টাকে অনুভব করেছেন। সকল মিথ্যা, প্রবঞ্চনাকে দূরে ঠেলে কবি স্রষ্টার সত্য রূপকে আপন করতে চান যে পথ চির স্বচ্ছ, চির সমুজ্জ্বল, যে পথ কবিকে মুক্তির দিশা বাতলে দেয়। সর্বশেষ কবিতায় কবির এরূপ দার্শনিক চিন্তাভাবনা ফুটে উঠেছে এই কবিতায়।

 

পরিশেষে বলা যায়, শেষ লেখা কবির জীবনের অন্তিম মুহুর্তের এক দার্শনিক আত্মোপলব্ধির কাব্য। এই কাব্যে কবি জীবনের সকল অভিজ্ঞতা অতিক্রম করে এক শ্বাশ্বত, সুন্দর ও মহা শান্তিপারাবারের দিকে ধাবিত হওয়ার অনুভবকে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই ধূলিধরার জীবনকে ছাপিয়ে তিনি অসীম ও অনন্তের দিকে পা বাড়াতে চান যেখানে তিনি স্রষ্টার সাথে একীভূত হতে চাওয়ার প্রবল আকাঙ্খা ব্যক্ত করেন।

 

FAQ

১. শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: শে ষলেখা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২. শেষ লেখা কাব্যের বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থে জীবন, মৃত্যু, আত্মোপলব্ধি ও মানবজীবনের গভীর অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
৩. শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে কোন ধরনের ভাবধারা লক্ষ করা যায়?
উত্তর: এই কাব্যগ্রন্থের কবিতায় দার্শনিক চিন্তা, আধ্যাত্মিক অনুভূতি ও জীবন সম্পর্কে পরিণত উপলব্ধির প্রকাশ লক্ষ করা যায়।
৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবনে শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থের গুরুত্ব কী?
উত্তর: শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনের কাব্যভাবনা ও জীবনদর্শন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
৫. শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে কী জানা যায়?
উত্তর: শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে জীবনের অনিত্যতা, মৃত্যুচেতনা ও মানুষের অন্তর্জগত সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

 

আরো পড়ুন

Oliur Rahman Sohag
Oliur Rahman Sohag

Md Oliur Rahman Sohag বাংলা সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ, কবি-সাহিত্যিক জীবনী এবং শিক্ষামূলক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। তিনি Study Journal X-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কনটেন্ট লেখক।

Articles: 120