
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) বিশ্বসাহিত্যের এক বিপুল বিস্ময়। তাঁর কাব্যজীবন ষাট বছরেরও অধিককাল বিস্তৃত। জীবনের প্রথম থেকে শেষ দিন পর্যন্ত তিনি একটানা লিখেছে কোথাও থামেননি। প্রথম জীবনে যে কবি জীবনদেবতা ও অন্তর্যামী ধ্যান করেছেন আর জীবাত্মা ও পরমাঙ্কা ক্রমান্বয়ে একে অপরের সান্নিধ্য কামনা করেছেন, সেই কবি জীবনের শেষ দিকে কঠোর বাস্তবের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। এই আর্টিকেলে পুনশ্চ কাব্যের বিষয়বস্তু, সমালোচনা, আঙ্গিক, ছন্দ বিশ্লেষণ করা হলো।
“পুনশ্চ” কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৯ সালে আশ্বিনে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “পুনশ্চ” কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নাতি নিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (নিতু) কে উৎসর্গ করেন । নিতুকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খুবই স্নেহ করতেন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, সংগীত, নাটকে পারদর্শী ছিলেন নিতু। রবীন্দ্রনাথ নিতুকে জার্মানে চাকরি করতে পাঠান। মাত্র ২১ বছর বয়সে নিতু মারা যায়। এ কাব্য গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের মর্মবেদনা ব্যক্ত হয়েছে।
গভীর দার্শনিক চিন্তা ও আত্মতত্ত্ব সাধনায় মগ্ন কবির মন চারদিকের বাস্তবের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে। কবিগুরুর নাতি নিতেন্দ্রনাথের মৃত্যুতে তাই রাস্তব অনুভূতি সাময়িকভাবে বৃদ্ধি হয়েছে। কবির নিরবচ্ছিন্ন ধ্যান ভেঙ্গে গেছে। তিনি চারপাশের সাধারণ মানুষ ও দৃশ্যকে নতুন চোখে দেখা শুরু করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের কাব্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় কবি নিত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে ধাবিত হয়েছেন। তাঁর কবিতায় তিনি খুঁজেছেন নতুনত্ব। কবি জীবনে তাঁর অন্তরের তাগিদে ভাব চিন্তার পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। তাঁর কাব্যে নব নব রূপে প্রকাশি হয়েছে ভাবনা চিন্তা।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পুনশ্চ কাব্যে অতি সাধারণ তুচ্ছ জিনিসকে অসাধারণ মহিমায় ফুটিয়ে তুলেছেন। এখানে কোন মহাকাব্যিক বা রাজা রানী চরিত্র নয় আমাদের চেনা পরিবেশের সাধারণ নিরীহ অসহায় মানুষদের জীবনচিত্র কবি তুলে ধরেছেন। পুনশ্চ কাব্যেকে অতি সাধারণ নিম্ন মানুষের কাব্য বলা হয়। কারণ এখানে কোন উচ্চবিত্ত বা মহাকাব্যিক চরিত্র স্থান পায়নি। এখানে রবীন্দ্রনাথ তুলে এনেছেন একটি স্কুল ছাত্র স্কুলে না গিয়ে একটি হাঁসের বাচ্চারকে বুকে নিয়ে সারাটা বিকেল পার করে দেয়। সাধারণ এক তুচ্ছ মেয়ের ঘটনা এই কাব্যে স্থান দিয়েছেন। মধ্যে উল্লেখযোগ্য কবিতা হল ক্যামেলিয়া, ছেলেটি, কোপায়, ফাঁক, সাধারণ মেয়ে, একজন লোক ও শেষ চিঠি ইত্যাদি।
“বেরিয়ে এসে দেখি, ক্যামেলিয়া
সাঁওতাল মেয়ের কানে,
কালো গালের উপর আলো করেচে।
সে আবার জিগেস করলে, “ডেকেচিস কেনে?”
(ক্যামেলিয়া, পুনশ্চ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
এই কবিতায় দেখা গেছে কবিতার প্রিয়তমার জন্য একটি ক্যামেলিয়া গাছ লাগিয়েছিল। কিন্তু কবির প্রিয়তমা অন্য আরেকজনকে ভালোবাসায় কবি সেই গাছের প্রথম ফুলটি এক সাধারণ সাঁওতাল মেয়ের কানে দেয়। তাই অতি সাধারণ তুচ্ছ মানুষের জীবনের রূপায়ন ঘটেছে।
‘ছেলেটা’ কবিতার দশ বছর বয়সী দরিদ্র একটি ছেলের কথা বলা হয়েছে যে অযত্নে বড় হয়েছে। গাছ থেকে পড়ে গিয়ে তার হাত ভাঙলে এবং পানিতে ডুবে মুমূর্ষু দশা হলেও তাকে দেখার কোনো মানুষ নেই। রবীন্দ্রনাথ এই ছেলেটাকে পৃথিবীর সমস্ত অবহেলিত বঞ্চিত শিশু কিশোরদের প্রতীক করেছেন। বক্সিদের বাগান থেকে ফল চুরি করে মার খায়। একটি কুকুর মারা যাওয়াতে দুদিন তাঁর জন্য লুকিয়ে কেদেছে।
“ছেলেটার বয়স হবে বছর দশেক,
পরের ঘরে মানুষ হয়েছে,
যেমন আগাছা বেড়ে ওঠে ভাঙা বেড়ার ধারে;
মালীর যত্ন নেই,”
(ছেলেটা, পুনশ্চ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
রবীন্দ্রনাথ জমিদার সন্তান হলেও তার মানবিক অনুভূতি যে কত তীব্র ছিল এবং অসহায় ও অনাথের প্রতি তার যে প্রবল কোমল গভীর মমত্ববোধ ছিল, তাঁর মানবিক বোধের দর্শন কবিতাটিতে, রূপ পেরেছে।
‘ফাঁক’ কবিতায় কবি একটি স্কুল পলাতক ছেলের বর্ণনা দিয়েছেন, যে হাঁসের বাচ্চা বুকে চেপে ধরে পুকুর ধারে সমস্তবিকালটা বসে থাকে। সেকথা উচ্চারণ করে শিশুর মনস্তাত্ত্বিক আনন্দের সুন্দরতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। নতুন বধু চিঠি লিখছে, আবার ছিড়ে ফেলছে এই লেখা আর ছেঁড়ার মধ্য দিয়ে বধুর তার স্বামীর প্রতি ভালোবাসাময় অনুভবের প্রকাশ পায়।
ছেলেটা ইস্কুল পালিয়ে খেলা করচে
হাঁসের বাচ্ছা বুকে চেপে ধরে,
পুকুরের ধারে,
ঘাটের উপর একলা বসে,
সমস্ত বিকেল বেলাটা।
(ফাঁক, পুনশ্চ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
এই কবিতায় কবি অতি সাধারণ তুচ্ছ জিনিসকে কবিতাই মহত্বের সাথে স্থান দিয়েছেন। সাধারণ জিনিসকে অসাধারণ করে তুলেছেন।
‘সাধারণ মেয়ে’ কবিতায় একটি সাধারণ মেয়ের ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়েছে। এই অতি তুচ্ছ মেয়েটির ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষাকে কবিগুরু প্রাধান্য দিয়ে এই কবিতায় স্থান দিয়েছেন। বারবার তাকে মনে করতে হয়েছে সে অতি তুচ্ছ মেয়ে।
“বয়স আমার অল্প।
একজনের মন ছুঁয়েছিল
আমার এই কাঁচা বয়সের মায়া।তাই জেনে পুলক লাগত আমার দেহে,
ভুলে গিয়েছিলেম, অত্যন্ত সাধারণ মেয়ে আমি।”(সাধারণ মেয়ে, পুনশ্চ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
১৯৩০ সালে রবীন্দ্রনাথ বিশ্ব ভ্রমনে বের হয়েছিলেন। আমেরিকা প্যারিস, জার্মান, জেনেভা, সোভিয়েত, ইরাক, পারস্য প্রভাত দেশে ভ্রমণ করেছেন। বিদেশ স্বদেশের নানা ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাত তাঁর মনে আন্দোলন তুলেছে। প্রকৃতির কোনো দৃশ্য বা জীবনের কোনো ঘটনার উপর অগভীর উচ্ছ্বাসের চিত্র বর্ণনা করে পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থের কিছু কবিতা রচনা করেছেন। রবীন্দ্রনাথ চলার পথের বিভিন্ন দৃশ্য অংকন করেছেন। এই ধারার কবিতাগুলো হলো পুকুর ধারে, ফাঁক, বাসা, সুন্দর, স্মৃতি; শালিখ ইত্যাদি।
‘দেখা’ কবিতায় কবি এক বাদলা দিনে প্রকৃতির পর্যায়ক্রমে রূপ পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। সারারাত্রির কালো মেঘপুঞ্জের বর্ষণের পর প্রভাতের সূর্যোদয়, তারপর বিকালে আবার ঝড়বৃষ্টি, তারপর সন্ধ্যায় কৃশ চাঁদের ক্লান্ত হাসি কবি কেতূহলের সঙ্গে লক্ষ্য করেছেন আর ভেবেছেন
“আমার সত্তর বছরের খেয়ায়
কত চলতি মুহূর্ত উঠে বসেছিল
তারা পার হয়ে গেছে অদৃশ্যে”
(দেখা, পুনশ্চ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
অনেকগুলো কবিতায় মানবিকতার আবেদন তুচ্ছ অবহেলিত সাধারণ মানুষের জন্য কবির গভীর সহানুভার প্রকাশ পেয়েছে। যেমন: শেষ চিঠি, ক্যামেলিয়া, সাধারণ মেয়ে, একজন লোক, বাঁশি ইত্যাদি কবিতা। পুনশ্চ কাব্য গ্রন্থে বিচিত্র ভাবধারা লক্ষ্য করা গেলে ও বাখ্যায়িকা প্রকৃতি চিত্র, স্মৃতি চিত্র বা দার্শনিক চিন্তা জাতীয় কবিতা দেখা যায়। “সুন্দর” কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন।
“সোনায় পান্নায় ছায়ায় আলোয় গাঁথা
অবকাশের নেশায় মন্থর আষাঢ়ের দিনের”
(সুন্দর,পুনশ্চ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
বিহ্বল মাধুরীকে কবি মাঠের মধ্যে ওড়না ছড়িয়ে অবস্থান নিতে দেখেছেন। এতে কবির সেন্দির্য দৃষ্টির সূক্ষ্মতা প্রতিভাত হয়। কবি প্রেয়সীকে কবির কাছে মনে হয় সে যেন তাঁর কাছে জন্মজন্মান্তরের জানা। অনুভূতির চিরন্তনতা এখানে ভাষায়িত হয়েছে।
‘বাসা’ কবিতায় কবির সৌন্দর্য তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশিত হয়েছে। এ কবিতায় কবি লিখেছেন, তিনি ময়ূরাক্ষী নদী কখনো দেখেননি। নদীর নামটি তিনি কান দিয়ে শোনেনি বরং কবির চোখের মধ্যেও মনের মধ্যে নামটি লেগে থাকে। কবি গুরুর সুদূরপ্রসারী কল্পনা, গভীর দার্শনিক চিন্তা, গূঢ় অধ্যাত্ম জিজ্ঞাসা, গুরুগম্ভীর শব্দধ্বনি, প্রগাঢ় আবেগ এই কবিতা গুলোকে রবীন্দ্র কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত করেছে,
‘শিশুতীর্থ’ কবিতাটি রবীন্দ্রকাব্যে একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। চরম আদর্শের সন্ধানে মানবজাতির চিরন্তন যাত্রা ও নানা অরস্থার মধ্য দিয়ে সেই আদর্শের প্রতীক এক নবজাতক শিশুর কাছে পৌঁছানোর রূপকচ্ছলে এই কবিতা লিখিত। মানুষ চিরকাল চরম আদর্শের অভিযানে চলেছে। সেই চরম আদর্শ বা শেষ লক্ষ্য হচ্ছে তার আত্মস্বরূপের দর্শন লাভ। শিশুতীর্থকে আত্মোপলব্ধির রূপক ছাড়াও আমরা জগতের মহাপুরুষদের আবির্ভাব বিষয়ের রূপক ধরতে পারি। যখন দেশ ও সমাজে নানা গ্লানির আবির্ভাব হয়, অধর্মের ও অসত্যের অনুকার চারদিকে নেমে আসে তখনই জন্ম হয় মহাপুরুষদের। এই মহাপুরুষরা সকলেই শিশু রূপে জন্মগ্রহণ করেন। এই রুপে বুদ্ধদেব, যীশুখ্রিষ্ট, শ্রীচৈতন্যদের জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।
‘শাপমোচ’ কবিতার বিষয়বস্তু হলো বাহিরের রুপের মোহে কামনা বাসনা বিজড়িত মন নিয়ে যখন আমরা সুন্দরকে পেতে চাই তখন সুন্দরকে পাওয়া যায় না। রূপের মোহ ত্যাগ করে যখন অন্তরের নিবিড় অনুভূতির মধ্যে আমরা সুন্দরকে পেতে চাই, তখনই সুন্দর আমাদের কাছে ধরা দেয়।
পুনশ্চ কাব্যের ‘শেষ চিঠি’ কবিতায় একজন সন্তানহারা পিতার শোক ব্যক্ত হয়েছে। কবি মূলত, নাতি নিতেন্দ্রনাথকে হারানোর শোক ব্যক্ত করেছেন এ কবিতায়। কবি নিতেন্দ্রনাথকে খুবই স্নেহ করতেন। তাঁর ছবি সবসময় সঙ্গে রাখতেন। না নাতিকে হারানোর শোক ব্যক্ত করেছেন এ কবিতায়।
পুনশ কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ ছন্দের ক্ষেত্রে একটু পরীক্ষা করেছেন। এ কাব্যগ্রন্থে সর্বপ্রথম তিনি কবিতায় আঙ্গিকের পরিবর্তন। আঙ্গিকের পাশাপাশি বিষয়বস্তুতে ও পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় এ কাব্যগ্রন্থে। তিনি যে আঙ্গিকে কাব্য গ্রন্থটি লিখেছেন তার নাম দিয়েছেন গদ্যছন্দ। একে ভাবছন্দও বলা যায়। ছন্দ বলতে আমরা সাধারণত সুনিয়মিত, সুপরিমিত ও সুনির্দিষ্ট ধ্বনি বিন্যাস বা বৃত্ত-বন্ধন এবং অন্ত্যমিল কে বুঝি । অন্ত্য-মিল না থাকলে ও সুনিয়ন্ত্রিত ধ্বনি বিন্যাসের ফলে ছন্দের উদ্ভব হতে পারে। যেমন অমিত্রাক্ষ ছন্দ। ড. অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন-
“বলাকা কার্যে প্রবহমান পয়ার ছন্দে যে সাফল্য দেখা গিয়েছিল পুনশ্চ বর্গের কাব্যগুলিতে তাঁরই এক চূড়ান্ত রূপ প্রত্যক্ষ করা গেল” ( বাংলা সাহিত্যের সম্পূর্ণ ইতিবৃত্তি, অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়)
রবীন্দ্রনাথের দীর্ঘ কবি জীবনে কাব্যে ধীরে ধীরে পরিবর্তন ঘটেছে। একই রকম ভাষা ও প্রকাশভঙ্গী তিনি বরাবর ব্যবহার করেননি। নিত্য নূতনের বৈচিত্র্য তাঁকে আকর্ষণ করছে এবং নূতন দিন প্রকাশ ভঙ্গী তিনি পরীক্ষা করেছেন। পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থে ‘কবি একেবারে নিয়মিত অন্ত্যমিল ছন্দোবন্ধন ও অন্তমিল ত্যাগ করেছেন। এই গদ্যছন্দ বা ভাবছন্দ কবি অনুসরণ করেছেন শেষ সপ্তক, পত্রপুট ও শ্যামলী গ্রন্থে। রবীন্দ্রনায় সবসময়ই নতুন কিছু অনুসন্ধান করেছেন। রবীন্দ্রনাথের গদ্য কবিতার প্রকৃত স্বরূপ এই যে, এটি গদ্য ও নয়, পদ্যও নয় গদ্য পদ্যের সমন্বয়ে একটা পরীক্ষা। বিচিত্র রূপস্রষ্টা কবির এটি একটি অভিনব রূপসৃষ্টি। কবি আধুনিক রুচি অনুযায়ী গদ্য ছন্দ প্রবর্তন করলেও রবীন্দ্রনাথের বৈশিষ্ট্য তা থেকে বাদ পড়েনি। প্রকৃতির চিত্রই হোক আর পূর্বস্থতির কোনো চিত্রই হোক, কবির রোমান্টিক ভাবালুচার স্পর্শ, তাঁর কল্পনার বর্ণচ্ছটার ছাপ তাতে আছে।
তাই পরিশেষে বলা যায় যে, রবীন্দ্রনাথ তাঁর দীর্ঘাদিনের কাব্য সাধনায় বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য, ছন্দ, প্রকাশ ভঙ্গি কথা আঙ্গিকের পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যে ‘গৌরবদীপ্ত ঐতিহ্য নির্মাণ করেছেন এবং বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে তার যোগ প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
FAQ
আরো পড়ুন
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনী
- ষাটের দশকের কবিতা ও স্যাড জেনারেশন
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কবিতা: গুরুত্বপূর্ণ কবি ও কবিতা
- তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের বিষয়বস্তু ও সমাজ-জীবন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: জীবন ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে বিস্তারিত
- কাজী নজরুল ইসলাম সংক্ষিপ্ত জীবনী ও বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম সমূহ
- তিরিশের দশকের কবিতা ও পঞ্চপাণ্ডব, বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
- বনলতা সেন কাব্য’র চিত্ররূপকল্পময়তা | বিস্তারিত আলোচনা
- সোনার তরী কাব্য’র প্রকৃতি ও সৌন্দর্য প্রেম
- অগ্নিবীণা কাব্য’র আলোকে কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা
- গোরা উপন্যাসের বিষয়বস্তু, চরিত্র বিশ্লেষণ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা






