মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের বিষয়বস্তু, চরিত্র সমূহ ও নামকরণের সার্থকতা

বাংলা সাহিত্যে কালজয়ী প্রতিভার অধিকারী কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি কখনো সমাজের অন্যায় অত্যাচার দেখে মুখ বুজে থাকেনি। সমাজ বাস্তবতাকে তিনি সচেতন ভাবেই তুলে ধরেছে তাঁর সাহিত্যে। উপনিবেশিক শোষণকে তিনি কখনো মেনে নিতে পারেনি। উপনিবেশিক শাসনের কারণে বাংলার মানুষ তিলে তিলে মরছিল। অত্যাচারিত হয়ে যখন মানুষ না খেয়ে ক্ষুধার জ্বালায় মৃত্যুবরণ করেছিল। তখন তিনি বাংলার মানুষের দুঃখ দুর্দশা দেখে চুপ করে বসে থাকেনি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে রচনা করেন ‘মৃত্যুক্ষুধা‘ উপন্যাস। এই আর্টিকেলে মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের বিষয়বস্তু, চরিত্র সমূহ ও নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করা হল।

মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের বিষয়বস্তু

মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের বিষয়বস্তু

মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটি রচিত হয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের বাস্তব অভিজ্ঞতা পরিপ্রেক্ষিতে। ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরে চাঁদাসড়কে কম্পাউন্ড ওয়ালা একতলা বাংলো প্যার্টানের একটি বাড়িতে বাস করতেন। এ সময় নজরুলের জীবন কেটেছে অনেক অসহায় দারিদ্রের সাথে। সমাজের নিম্ন শ্রেণীর মানুষের জীবন যাপন তিনি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। কৃষ্ণনগরের রোমান কাথলি পাড়া এবং কলকাতার পারিপার্শ্বিক এলকা নিয়ে মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে। এখানে হিন্দু মুসলমান খ্রিস্টান একত্রে বাস করত। দারিদ্রতা কৃষ্ণনগরের মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী ছিল। অভাবের কারণে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান একসাথে বাস করতে বাধ্য হয়েছিল। কৃষ্ণনগরের মানুষের প্রধান পেশা ছিল মৃৎশিল্প।

নজরুল অত্যন্ত কাছ থেকে এই নিম্নশ্রেণীর মানুষের জীবনযাপন দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। এদের বেঁচে থাকার লড়াই তিনি সুনিপুন ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। চরিত্রগুলোর মনের অন্দরমহলে ডুব দিয়ে বিচিত্র অলিগলিতে বিচরণ করে নিগৃঢ় সত্য তুলে এনেছেন। দারিদ্রতার সাথে নজরুল ফুটিয়ে তুলেছে তাদের মনের ছোট ছোট আনন্দ গুলো। সামান্য কারণে তারা একে অপরের সাথে ঝগড়া করে আবার মিলে যায়। এদের ক্ষুধা ও মৃত্যুর পিছনে রয়েছে বুর্জোয়া শ্রেনীর ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এই শ্রেণীর শ্রেণীর বিরুদ্ধে আনসার চরিত্রের মাধ্যমে নজরুল প্রতিবাদ করেছেন। আনসার চরিত্রের মাধ্যমে নজরুলের প্রতিবাদী সত্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

নজরুল আরো দেখিয়েছেন খাদ্যের অভাবে যখন  তারা ধুকে ধুকে মরছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে খ্রিস্টান মিশনারিরা দরিদ্র মানুষদের ধর্মান্তরিত করার ফাঁদ পেতেছে। অসহায় মানুষ যারা খেতে পারে না তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে খ্রিস্টান মিশনারি ধর্মান্তরিত করে। উচ্চবিত্ত শ্রেণিরা সর্বদা নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষদের নিচু চোখে দেখেছে। তাদেরকে সবদিক থেকেই শোষণ করেছে। পরিশ্রম করার পরও সামান্য মজুরি পেয়ে তাদের না খেয়ে দিন পার করতে হয়েছে। খাদ্য ও চিকিৎসার অভাবে অসংখ্য দরিদ্র মানুষ অসহায় ভাবে মৃত্যুবরণ করেছে।

“এরা যেন মৃত্যুর মাল গুদাম! অর্ডারের সঙ্গে সঙ্গে সাপ্লাই। আমদানি হতে যতক্ষণ রপ্তানি হতেও ততক্ষণ।” (মৃত্যুক্ষুধা, কাজী নজরুল ইসলাম)

উপন্যাসে কাজী নজরুল ইসলামের দ্বৈত সত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। একদিকে নজরুলের মধ্যে বিদ্রোহী চেতনা কাজ করে। আনসার চরিত্রের মাধ্যমে বিদ্রোহী সত্ত্বা ফুটে উঠেছে। উচ্চ শ্রেণীর বিরুদ্ধে আনসার সর্বদা প্রতিবাদ করেছে। দরিদ্র মানুষদের একত্রিত করে তাদের অধিকারের ব্যাপারে সচেতনত করেছে। অন্যদিকে প্যাকালে চরিত্রের মাধ্যমে নজরুলের মধ্যে অসহায় দিন যাপন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার ও সংসার বৈরাগ্য উদাসী মনোভাব কাজ করেছে।

উপন্যাসের কাহিনীতে রয়েছে কৃষ্ণনগরে অসহায় দরিদ্র মানুষদের জীবনযাপন। দারিদ্রতার কারণে হিন্দু মুসলমান খ্রিস্টান এক সাথে বাস করত। তাদের প্রধান পেশা ছিল মৃৎশিল্পের কাজ। দারিদ্রতা তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। এদের জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে দারিদ্রতা, যেটাকে তারা অস্বীকার করতে পারে না। তাই নজরুল উপন্যাসে বলেছেন,

“একদিকে মৃত্যু, একদিকে ক্ষুধা” (মৃত্যুক্ষুধা, কাজী নজরুল ইসলাম)

নিম্নশ্রেনির মানুষগুলো দারিদ্রতার কারণে ছোট খাট ব্যাপার নিয়ে ঝগড়া করে। আবার মিলে যায়, একে অপরের দুঃখে পাশে এসে দাঁড়ায়। এই কৃষ্ণনগরে বাস করতো একটি মুসলিম পরিবার। উপন্যাসের এক অন্যতম চরিত্র গজালের মা। তার তিন ছেলে মারা গিয়েছে যৌবন বয়সে। তিন বিধবা স্ত্রী তার ঘরে। আর তাদের প্রায় এক ডজন ছেলেমেয়ে। ছোট ছেলে প্যাকালের রাজমিস্ত্রীর কাজ করে। প্যাকালের উপর সমস্ত সংসারে দায়িত্ব। সে একা সংসার চালাতে পারে না তার সামান্য আয় দিয়ে। অতি অভাবের সাথে দিন যাপন করে তাদের পরিবারের সবাই। এই অভাবের সংসারে স্বামীর ঘর থেকে চলে আসে এই পরিবারের ছোট মেয়ে। এখানে এসে জন্ম হয় আর একটি ছেলের। ফলে অভাবের সংসারে মানুষ শুধু বাড়তে থাকে।

প্যাকালের ঘাড়ে সমস্ত সংসারের দায়িত্ব। তার এই অভাবের সংসার ভালো লাগতো না। তার ইচ্ছে হতো সে বাবুদের মত সিগারেট খাবে, যাত্রা ও গানের দলে যোগ দেবে, এভাবে সে নিজের জীবন কাটাতে চেয়েছিল। যেখানে কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। প্যাকালে ভালোবাসতো খ্রিস্টান মেয়েকে কুর্শিকে। কুর্শিকে পাওয়ার জন্য প্যাকালে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সে কুড়ি টাকা বেতনে চাকরি পেয়ে কুর্শিকে নিয়ে আবার মুসলমান হয়ে জীবন যাপন শুরু করে। এর মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম দেখিয়েছেন ভালোবাসার কাছে ধর্ম বড় নয়।

মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের সবচেয়ে বিপ্লবী ব্যক্তিত্ব আনসার। সে একজন বলশেভিক বিপ্লবী। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সে একজন সক্রিয় কর্মী। দেশ ও মানুষের মুক্তির জন্য সে সর্বদা লড়াই করেছে। ব্যক্তি স্বার্থ তার কাছে মুখ্য নয়, জনস্বার্থ তার কাছে প্রধান। কৃষ্ণনগরের অসহায় দরিদ্র মানুষদের জীবন যাপন দেখে আনসার ব্যথিত হয়েছিলেন। চটকল শ্রমিক, ডোম এছাড়াও সমাজের অসহায় বঞ্চিত মানুষদের একত্রিত করে তাদের অধিকারের বিষয়ে সচেতন করেছিল আনসার। আনসারের কাছে ধর্মের থেকে মানবতা বড় ছিল। অসহায় বঞ্চিত মানুষদের সর্বদা পাশে থেকেছে সে।  আনসারের মাধ্যমে আমরা নজরুলের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই।

আনসার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মেয়ে রুবিকে ভালোবাসত। রুবিও  আনসারকে ভালবাসত। রুবির বাবা-মা জোর করে এক ধনী ছেলের সাথে তার বিয়ে দেয়। বিয়ের এক মাসের মধ্যে  রুবির স্বামী মারা যায়। বিধবা হয়ে যায় রুবি। তারপর সে জানতে পারে যক্ষা রোগ হয়েছে আনসারের। ফলে আনসারের কাছে ছুটে যায় রুবি। তাকে সেবা যত্ন করে কিন্তু আনসার মারা যায়। রুবি আনসার কে সেবা যত্ন করার ফলে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

উপন্যাসে মেজবউ দরিদ্র অসহায় জীবন থেকে বাঁচতে বেছে নিয়েছিল খ্রিস্টান ধর্ম। অর্থের অভাব দূর করতে খ্রিস্টান হয়ে বরিশালে চলে যায়। কিন্তু সন্তানের অসুস্থতা তাকে ফিরে আসতে বাধ্য করে। এমন দুর্দশাগ্রস্থদের খ্রিষ্টান মিশনারীবা সাহায্যের আড়ালে ধর্মন্তকরণের প্রয়াস চালায়। তাদের কৌশলে মেঝো বউ শেষে খ্রীষ্টান হয়ে যায়া। তার নাম হয় হেলেন। সন্তানদের রেখে সে অন্য চলে গিয়েও ফিরে আবার ফিরে আসে। সেজবউও অসহায় ও দারিদ্রতার জন্য না খেয়ে মৃত্যুবরণ করতে হয়। তাই এই উপন্যাসে দেখা যায় মৃত্যু আর ক্ষুধা। উপন্যাসে কৃষ্ণনগরের মানুষ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষনের নির্মম শিকার হয়েছে।

মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের সবচাইতে উজ্জ্বল চরিত্র আনসার। সে একজন একজন বলশেভিক বিপ্লবী। সমাজের খেটে খাওয়া অসহায় দরিদ্র মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বদা লড়াই করে আসছে । উপন্যাসে আনসার চরিত্রের মাধ্যমে আমরা কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়। তার বিদ্রোহী চেতনা আমাদেরকে মুগ্ধ করে। তার মাধ্যমে আমরা সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠা সংগ্রাম দেখতে পাই। শেষ পর্যন্ত সে পুলিশের হাতে বন্দি হয় এবং যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

উপন্যাসের আরেকটি অন্যতম প্রধান চরিত্র প্যাকালে। তার ঘাড়ে সমস্ত সংসারের দায়িত্ব। রাজমিস্ত্রি কাজ করে সে সংসার চালায়। তার মধ্যে আমরা উদাসী ও বৈরাগ্য চরিত্র দেখতে পাই। কখনো গানের দলে যোগ দেয় কখনো বাবুদের মত সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছে জাগে। এখানে কাজী নজরুল ইসলামের দ্বৈত সত্তার দ্বিতীয় সত্তাটি ফুটে উঠেছে। যেখানে নজরুলের উদাসী সংসার বৈরাগ্য মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। প্যাকালে খ্রিস্টান মেয়ে কুর্শিকে ভালোবাসতো। তাকে পাওয়ার জন্য প্যাকালে শেষ পর্যন্ত খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে। ভালোবাসা তার কাছে বড়। ভালোবাসার জন্য সে ধর্মান্তরিত হতেও ভাবিনি। তাই এই উপন্যাসের একটি অন্যতম উজ্জ্বল চরিত্র প্যাকালে।

মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল নারী চরিত্র মেজবউ। যার মধ্যে আমরা সংগ্রামী মনোভাব পাই। ক্ষুধার জ্বালা এবং সন্তানদেরকে মানুষ করতে, সামাজিক নিরাপত্তা পেতে শেষ পর্যন্ত খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে এবং মিশনারীদের চলে যায়। ক্ষুধার জ্বালা তার কাছে ধর্মের থেকেও বড় হয়ে ওঠে। তাইতো নিজের ধর্ম বিসর্জন দিয়ে শেষ পর্যন্ত সে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে। মেজবউ চরিত্রের মাধ্যমে আমরা এই উপন্যাসে এক বলিষ্ঠ নারী কণ্ঠস্বর খুঁজে পাই। যে খ্রিস্টান মিশনারি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ধর্মান্তরিত হয়েছিল।

গজালের মা এই উপন্যাসের এক সংগ্রামী নারী চরিত্র। যে চোখের সামনে তিন সন্তানকে মরতে দেখেছি। সুখে দুঃখে সে সবার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। খেয়ে না খেয়ে অভাবের সাথে দিন পার করছে। সে মাঝে মাঝে সাথে ঝগড়া করে কিন্তু, সেটা মন থেকে নয়। কিছুক্ষণ পরে আবার সেটা ঠিক হয়ে যায়। সে তার সন্তান ও বউদের আগলে রাখার চেষ্টা করে উপন্যাসে। তার মধ্যে আমরা এক সংগ্রামী নারী চরিত্রের রূপ পায়।

মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের অন্যতম নারী চরিত্র রুবি। রুবি এক ধনী পরিবারের মেয়ে। আনসার রুবিকে ভালোবাসত, রুবিও আনসারকে ভালবাসত। কিন্তু রুবির বাবা অর্থের লোভে এক ধনী ছেলের সাথে তার বিয়ে দেয়। বিয়ের এক মাসের মধ্যে তার স্বামী মারা যায়। ফলে রুবী বিধবা হয়ে যায়। এর মধ্যে আনসার যক্ষ্ম রোগে আক্রান্ত হয়। খবর শুনে রুবি সেখানে ছুটে যায় এবং আনসারকে সেবা যত্ন করে। কিন্তু তাকে বাঁচাতে পারে না। আনসারকে শেষ সেবা যত্ন করার ফলে রুবির ও যক্ষ্ম রোগ হয় ফলে রুবিও মারা যায়। এই উপন্যাসে একটি উল্লেখযোগ্য নারী চরিত্র রুবি।

পরিশেষে বলা যায় বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী উপন্যাস মৃত্যুক্ষুধা। এই উপন্যাসে নজরুল একদিকে ক্ষুদার যন্ত্রণা, অন্যদিকে মৃত্যুর আর্তনাদ তুলে ধরেছেন। যেখানে ঔপনিবেশিক বলায় ও ধনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা দরিদ্র মানুষদের বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। সেই বলয়ের বিরুদ্ধে নজরুলের প্রতিবাদী সত্তা উপন্যাসে চিত্রিত হয়েছে। এই অসহায় মানুষগুলোর দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে খ্রিস্টান মিশনারিগুলো ধর্মান্তরিত করার খেলায় মেতেছে। নজরুল দেখিয়েছেন ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে আল্লাহ, ভগবান বা যিশুখীষ্টের কোনো ফারাক পার্থক্য নেই। তাই বাংলা সাহিত্যে শ্রেণী বৈষম্যের অলেখ্য দলিল মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাস।

 

FAQ

১. মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের রচয়িতা কে?
উত্তর: মৃত্যুখুধা উপন্যাসের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।
২. মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: দারিদ্র্য, ক্ষুধা, সামাজিক বৈষম্য ও শোষিত মানুষের জীবনসংগ্রাম এই উপন্যাসের প্রধান বিষয়বস্তু।
৩. মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর: উপন্যাসটি ১৯৩০ সালে ধারাবাহিকভাবে মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
৪. মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের নামকরণের তাৎপর্য কী?
উত্তর: ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের কারণে মানুষের জীবন যে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়, নামকরণে সেই নির্মম বাস্তবতা ফুটে উঠেছে।
৫. মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসে কোন শ্রেণির মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছে?
উত্তর: উপন্যাসে মূলত দরিদ্র, নিপীড়িত ও সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

 

আরো পড়ুন

Oliur Rahman Sohag
Oliur Rahman Sohag

Md Oliur Rahman Sohag বাংলা সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ, কবি-সাহিত্যিক জীবনী এবং শিক্ষামূলক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। তিনি Study Journal X-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কনটেন্ট লেখক।

Articles: 120