বাংলা নাট্য সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য। ১৯৪০ এর দশকে তার নাট্যজীবনের সূচনা ঘটে। তিনি মার্কসবাদী ধারার নাট্যকার ছিলেন। কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের জীবন সংগ্রামের কথা তার নাটকের মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছিল। তিনি প্রচলিত নাট্য ধারার বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র নাট্য আন্দোলনের সূচনা করেন। এই নাট্য আন্দোলন পরবর্তীতে গণনাট্য সংঘ বা ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন নামে পরিচিতি লাভ করে। বিজন ভট্টাচার্য গণনাট্য সংঘের প্রথম দিকের নাট্যকার ছিলেন। তাঁর অভিনয় ও নাটক রচনায় গণনাট্য সংঘের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল। নাটক রচনার পাশাপাশি অভিনয়েও তিনি অসামান্য কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন। এই আর্টিকেলে নবান্ন নাটকের বিষয়বস্তু, নামকরণের সার্থকতা ও চরিত্র বিশ্লেষণ নিয়ে আলোচনা করা হল।

নবান্ন নাটকের বিষয়বস্তু
বিজন ভট্টাচার্যের নবান্ন নাটকের প্রেক্ষাপটে রয়েছে তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিঘাতে তখন পৃথিবী ক্লান্ত। ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৩ এই সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল। মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করেছিল এই সময়ের পরিস্থিতি। নাৎসিবাদের উত্থানের ফলে পৃথিবী জুড়ে গণতন্ত্র নিধন শুরু হয়েছিল। ১৯৪১ সালে হিটলার কর্তৃক তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রান্ত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল তৎকালীন সমাজতন্ত্রের আঁতুড়ঘর। সোভিয়েত ইউনিয়নকে তৎকালীন সময়ে বিশ্ব মানবতার দুর্গ বলা হতো।
সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রান্ত হলে ভারতীয় বুদ্ধিজীবী ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখকরা গড়ে তোলেন গণনাট্য সংঘ। বিজন ভট্টাচার্য ছিলেন গণনাট্যের অন্যতম পথিকৃৎ, যিনি মার্কসবাদী ধারার বিশ্বাসী ছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়নে মার্কসবাদী ধারায় সমাজতন্ত্রের প্রচলন ছিল। ফলে সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রান্ত হলে বিজন ভট্টাচার্যসহ ভারতীয় বুদ্ধিজীবী, লেখক, শিল্পী, সাহিত্যিক মিলে নতুন ধারার নাটকের সূচনা করেন। সে সময় সামাজিক নাটক একপ্রকার ছিল না বললেই চলে। নাটকের মূল বিষয় ছিল পৌরাণিক কাহিনী, রাজা-রানী অথবা দেব-দেবী কাহিনী নিয়ে। বিজন ভট্টাচার্যই প্রথম যিনি নাটকের দেব-দেবী বা রাজা-রানীর কাহিনীকে উপেক্ষা করে নিম্ন শ্রেণীর মানুষকে নাটকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
১৯৪২ সালে ভারত ছাড়ো আন্দোলন বা অগাস্ট আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের জীবনে এক চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছিল। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার এই আন্দোলনকে শক্ত হাতে দমন করেছিল। ফলে দুই হাজারের বেশি আন্দোলনকারী নিহত হয় এবং ৬০ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৪৩-৪৪ সালে ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্যাভাব এবং বন্যার কারণে ব্যাপক আকারের দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। বাংলা, ওড়িশা ও আসামের বিভিন্ন অঞ্চলে দুর্ভিক্ষের মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। দুর্ভিক্ষের ফলে চরম খাদ্যাভাবে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়।
১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ প্রাকৃতিক সৃষ্টির চেয়ে মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ হিসেবে বেশি গ্রহণযোগ্য। ব্রিটিশ সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে এই দুর্ভিক্ষের মাত্রা চরম আকার ধারণ করেছিল। প্রশাসনের দুর্বল বণ্টন ব্যবস্থা খাদ্যাভাবকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। সে সময় ৪০ লাখ টন খাদ্যশস্য ঘাটতির পরেও ব্রিটিশ সরকার ১০ লাখ টন খাদ্য রপ্তানি করেছিল। চোরাকারবারি ও মজুদদারীরা খাদ্য মজুদ ও চোরাচালানের মাধ্যমে এই দুর্ভিক্ষকে চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল। শস্যের দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। গ্রামের গরীব কৃষকরা খেতে না পেরে মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদের ঋণ নেয়। মহাজনরা ঋণের ফাঁদে ফেলে গরিব কৃষকদের সহায় সম্পত্তি, জমি, জায়গা সবকিছু কেড়ে নেয়। ১৯৪৩ সালের এই মানবসৃষ্ট মন্বন্তরের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। এই পটভূমিকে কেন্দ্র করে রচিত হয় বিজন ভট্টাচার্যের নবান্ন নাটক।
নাটকের কাহিনীতে রয়েছে গ্রামের কৃষক প্রধান সমাদ্দার ও তার পরিবারের করুন পরিণতি। ফসল না হওয়ার কারণে প্রধান সমাদ্দারের পরিবার চরম খাদ্যসংকটে ভোগে এবং মহাজনের অত্যাচারের শিকার হয়। খেতে না পেরে প্রধান সমাদ্দারের নাতি অসুস্থ হয়ে যায়। এরপর প্রবল বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি, ফসলের জমি সব কিছু শেষ হয়ে যায়। এক মুঠো ভাতের জন্য তাদের আত্মনাদ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকে চিত্রায়িত করেছেন। সমাদ্দারের দুই পুত্র শ্রীপতি ও ভূপতি আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে মারা যায়। প্রধান সমাদ্দারের স্ত্রী পঞ্চাননীও পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। প্রধান সমাদ্দারের সব কিছু শেষ হয়ে যায। তার আর হারানোর কিছু ছিল না, তাই সে কুঞ্জকে বলে।
“কুঞ্জ আমি প্রাণ দেব রে কুঞ্জু। শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে আমি প্রাণ দেব রে কুঞ্জ। আমি প্রাণ দেব” (নবান্ন, বিজন ভট্টাচার্যের)
তার নাতি মাখন ক্ষুধার জালে অনাহারে মারা যায়। মহাজনের শোষণে তাদের সকল জমিজমা হারাতে হয়। এই মহাজন শ্রেণীর মধ্যে রয়েছে হারু দত্ত, যে কৌশলে কৃষকদের থেকে তাদের সমস্ত জমি কেড়ে নিয়েছিল। কুঞ্জ তার প্রতিবাদ করায় কুঞ্জ এবং প্রধান সমাদ্দারকে লোক দিয়ে মারধর করে হারু।
বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয় তারা গ্রামের সবকিছু ছেড়ে পরিবারসহ কলকাতায় চলে যায়। কলকাতার মানুষের উদাসীনতা ও অমানবিকতা তাদেরকে হতাশ করে। ভেবেছিল শহরে গিয়ে হয়তো খাবার পাবে। কিন্তু শহরের মানুষ আরও নির্দয়। বাড়ি বাড়ি ঘুরে তারা একটি ভাতের দানাও পায়নি। প্রধান সমাদ্দার ও তার পরিবারের লোক খাবারের জন্য বিভিন্ন ডাস্টবিনের উচ্ছিষ্ট কুড়িয়ে খেয়েছে। এমনকি খাবার নিয়েই কুকুরের সাথেও কুঞ্জ মারামারি করে আহত হওয়ার দৃশ্যও দেখা যায়।
একটু ফ্যানের জন্য তারা শহরের মানুষের বাড়ির পাইপের নিচে পাত্র হাতে দাঁড়িয়ে থাকত। সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে তারা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা পায়নি। শহরের বিভিন্ন পার্কে, ডাস্টবিনে গ্রাম থেকে আসা এই মানুষদের ভিড় দেখা যেত, তারা খাবারের জন্য বিভিন্ন ডাস্টবিন ও পার্কে বসে থাকতো। ফটোগ্রাফাররা গ্রামের দুর্ভিক্ষ-পীড়িত অসহায় বঞ্চিত মানুষদের ছবি তুলে ম্যাডোনা বলে বিক্রি করতো। শহরের এই নির্মম চিত্র তাদের হতাশ করে। যে আশায় গ্রাম থেকে তারা শহরে এসেছিল, আজ সেই আশা শেষ হয়ে গেছে। সবকিছু ছেড়ে আবার গ্রামে ফিরে যায়।
হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে তারা গ্রামে ফিরে আসে। ফিরে এসে সবাই মিলে একত্রে নতুনভাবে চাষ করার উদ্যোগ নেয়। নিরঞ্জন গাঁয়ের মাতব্বর দয়াল চাষীকে নিয়ে হিন্দু-মুসলমান একত্রে চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। আলাদা আলাদা ভাবে চাষ না করে সবাই মিলে একত্রে চাষ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলো। রাধিকা, কুঞ্জ, প্রধান সমাদ্দার, একে একে সবাই গাঁয়ে ফিরে আসলো। নবান্ন উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এই নাটকের কাহিনী। গ্রামে আবার একটি উৎসবের আমেজ বয়ে গেল। নবান্নের মধ্য দিয়ে নাটক শেষ হওয়ার কারণে এই নাটকের নাম রাখা হয় নবান্ন। নবান্ন মানে নব অন্ন। এটাই নবান্ন নাটকের নামকরণের সার্থকতা।
প্রধান সমাদ্দার এই নাটকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এবং প্রধান চরিত্র। যে গ্রামকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে চেয়েছিল কিন্তু দুর্ভিক্ষের কারণে তাকে শহরে চলে যেতে হয়। এই নাটকে তার দুই ছেলে শ্রীপতি ও ভূপতি এবং তার স্ত্রী পঞ্চাননী নিহত হয়। শহরের রাস্তায় অসহায়ের মতো খাবার খুঁজেছে। কিন্তু নির্দয় নিষ্ঠুর মানুষ তাকে একটি দানা অন্নও দেয়নি। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিল কিন্তু চিকিৎসা পায়নি। শহরের রাস্তায় আর্তনাদ করেছে কিন্তু কেউ তার কথা শুনেনি। এভাবে প্রধান সমাদ্দারের চরিত্র বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকটিকে তুলে ধরেছে।
নবান্ন নাটকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র কুঞ্জ। গ্রামকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার জন্য সে অনেক চেষ্টা করে এবং মহাজনদের আচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। হারু দত্ত তাদের সমস্ত সম্পত্তি লিখে নিতে চাইলে সে প্রতিবাদ করে, যার কারণে তাকে হারুর লোকজনের হাতে মার খেতে হয়। শহরের রাস্তায় ঘুরে ডাস্টবিন থেকে খাবার সংগ্রহ করে খেয়েছে। এমনকি কুকুরের সাথেও মারামারি করে তার মুখ থেকে খাবার কেড়ে নিয়েছে। এই নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র কুঞ্জ, যার মধ্যে প্রতিবাদী রূপ দেখা যায়।
নবান্ন নাটকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন নিরঞ্জন। কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব করে এবং গ্রামকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য অনেক চেষ্টা করে। দুর্ভিক্ষ শেষে গ্রামে ফিরে এসে সে সকল কৃষকদের একত্রিত করে এবং তাদের নিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে নতুন করে চাষ করার পরিকল্পনা করে। এই নাটকে তার ভূমিকা অপরিসীম।
এই নাটকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রাধিকা। সে কুঞ্জের স্ত্রী। নিজের চোখের সামনে নিজের সন্তান মাখনকে খাদ্যের অভাবে মারা যেতে দেখে। শহরের রাস্তায় খাদ্যের অভাবে ঘুরে বেড়িয়েছে। এই নাটকে সে একটি গুরুত্বপূর্ণ নারীর চরিত্র হিসেবে কাজ করেছে।
নাটকের আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো বিনোদিনী। বিনোদিনী নিরঞ্জন স্ত্রী। দুর্ভিক্ষপীড়িত পরিবারের অসহায় নারীর আর্তনাদ বিনোদিনীকে চরিত্রের মাধ্যমে দেখা যায়। সে এই নাটকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তাহলে পরিশেষে বলতে পারি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাটক নবান্ন। বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে ৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের চিত্রকে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। খাদ্যের অভাবে প্রতিটি মানুষের অসহায় আর্তনাদ অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে নাটকের প্রতিটি পরতে পরতে তিনি তুলে ধরেছেন।
FAQ
১. নবান্ন নাটকের মূল বিষয়বস্তু কী?
নবান্ন নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ, ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম।
২. নবান্ন নাটকে কোন ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে?
নাটকটিতে ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ বঙ্গীয় দুর্ভিক্ষের বাস্তব চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে।
৩. নবান্ন নাটকে দুর্ভিক্ষের জন্য কাদের দায়ী করা হয়েছে?
দুর্ভিক্ষের পেছনে শোষক, মজুতদার ও অসাধু ব্যবসায়ীদের ভূমিকার পাশাপাশি তৎকালীন সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সংকট তুলে ধরা হয়েছে।
৪. নবান্ন নাটক শুধু দুর্ভিক্ষের কাহিনি কেন নয়?
কারণ এতে দুর্ভিক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ, ঐক্য, সংগ্রাম ও নতুন জীবনের আশাও প্রকাশ পেয়েছে।
৫. নবান্ন নাটকের নামকরণের তাৎপর্য কী?
‘নবান্ন’ নতুন ফসল ও নতুন জীবনের প্রতীক। নাটকটিতে এটি দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের নতুন আশা এবং সুন্দর ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষাকে নির্দেশ করে।
আরো পড়ুন
- চোখের বালি উপন্যাসের বিষয়বস্তু
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের বিষয়বস্তু, চরিত্র বিশ্লেষণ ও নামকরণের সার্থকতা
- গোরা উপন্যাস এর অসাম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবাদ
- আবুল হাসানের পৃথক পালঙ্ক কাব্য’র প্রেম ও বিরহ চেতনা
- দ্বিতীয় দিনের কাহিনী উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ
- গীতাঞ্জলি কাব্য’র আধ্যাত্মিকতা ও মানবপ্রেম।
- অগ্নিবীণা কাব্য’র আলোকে কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা
- সোনার তরী কাব্য’র প্রকৃতি ও সৌন্দর্য প্রেম
- বনলতা সেন কাব্য’র চিত্ররূপকল্পময়তা
- চর্যাপদ
- চর্যাপদের সমাজচিত্র
- বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ধারা ও বৈশিষ্ট্য
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন: এর রচয়িতা, সাহিত্যিক গুরুত্ব, আঙ্গিক, ছন্দ ও অলংকার







[…] […]
[…] […]